আজ শনিবার ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ইং ৬ মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ শীতকাল ১২ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম :
শিশু আরাফাত পৃথিবীর আলো দেখতে চায় শিক্ষক দিবসে সেমিনার   দুই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার : ক্লু পায়নি পুলিশ বরগুনায়  প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি বিজয় সমাবেশে এসে  নূর ইসলাম যা বলেন   জীবন দিয়ে হলেও ভোটের মর্যাদা রক্ষা করা হবে- শেখ হাসিনা ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সভা দল মত নির্বিশেষে সারাদেশে সুষম উন্নয়ন হবে : প্রধানমন্ত্রী ভাড়ার মোটরসাইকেল চালককে কুপিয়ে হত্যা ট্রাম্প-কিম আবার সাক্ষাৎ করতে চলেছে গৌরিপুরে বাস খাদে, নিহত ৩ কাজী হায়াৎ’কে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন মিশা আগামীকাল সিঙ্গাপুর যাবেন এরশাদ যেভাবে আপনার চুল সুন্দর রাখবেন সোহরাওয়ার্দী সভামঞ্চে জননেত্রী ১৭ ঘন্টা পর খুলনার সাথে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সিলেটের রান পাহাড়ের সামনে শুরুতেই পতন গেইলের কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের ছাদ ধসের ঘটনার তদন্ত শুরু ঝিকরগাছা জাগরণী সংসদের নতুন কমিটি গঠন লোকে লোকারণ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মেসির বার্সার শক্ত প্রতিপক্ষ সেভিয়ার ২৬ ভুয়া যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার ভাতার টাকা ফেরত নেয়ার দাবি মেহেরপুরে বহু বিয়ে ঠেকাতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন পাইপলাইনে অগ্নিকান্ডে নিহত ২০ আহত শতাধিক ‘ষোল আনা’কে পিছনে ফেলে শীর্ষে ‘ডানাকাটা পরী’,

যশোরে ৯ লাখ টন বোরো উৎপাদনের সম্ভাবনা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর : ৯ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র নিয়ে যশোরের কৃষকরা চাষ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে কৃষকরা ধান রোপণ কাজে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন।

যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলার সদর, ঝিকরগাছা, চৌগাছা, শার্শা, মণিরামপুর, কেশবপুর, অভয়নগর ও বাঘারপাড়া  উপজেলায় প্রায় দেড় লাখ হেক্টরে (১১ লাখ ২৫ হাজার বিঘা) বোরো চাষের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, হেক্টর প্রতি ৬ মেট্রিক টন হিসেবে  আবাদকৃত জমিতে ৯ লাখ টন ধান উৎপাদিত হবে। তবে সমস্যা দেখা দিয়েছে বোরোর বীজতলা নিয়ে। বীজতলা ব্যাপক আকারে কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছে। এ কারণে ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে কৃষকরা এ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে প্রতি বছরই বোরোর চারা এ সমস্যা দেখা দেয়।

ঝিকরগাছা উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের অভিজ্ঞ কৃষক আবদুল খালেক মেম্বর বলেন, বীজতলায় আগেভাগে বীজ ফেললে তীব্র শীত আসার আগেই চারা রোপণের উপযোগী হয়। তখন আর চারার ক্ষতি হবার সুযোগ থাকে না।

তিনি প্রতিবারই এ নিয়মেই বোরোর আবাদ করেন। এতে কোল্ড ইনজুরির ক্ষতি থেকে বোরা চারাকে রক্ষা করতে পারেন। এবারও তিনি ইতোমধ্যে ধান রোপণের কাজ শেষ করেছেন।

সদর উপজেলার নারাঙ্গালী গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, বোরো চাষ অনেকটাই লাভজনক। এক বিঘা জমিতে ন্যুনতম ২০ মণ ধান উৎপাদন হয়। অন্য মৌসুমে এত ফলন হয় না। অনেক ক্ষেত্রে ফলন বেশিও হয়।

 

 

আজকের তারিখ

  • আজ শনিবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং
  • ৬ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ (শীতকাল)
  • ১২ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী
  • এখন সময়, সন্ধ্যা ৭:২৩