‘তারেক রহমানের স্থান ব্রিটেনের মতো গণতান্ত্রিক দেশে নয়’

রহমানকে দ্রুত দেশে ফেরত

ডেস্ক রিপোর্ট : একুশে আগোস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া গতিশীল করতে তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তারা। আর আইনজীবীরা বলছেন, ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকলেও তারেক রহমানকে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব।

নির্বাচন কেন্দ্রীক সংলাপ ও তফসিল নিয়ে ব্যস্ত এখন বাংলাদেশ। আর যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ব্যস্ত লন্ডনে অবস্থানরত সাজাপ্রাপ্ত  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে নিতে। দলের নেতারা বলছেন, তার স্থান ব্রিটেনের মতো গণতান্ত্রিক দেশে হতে পারে না।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, ‘তারেক রহমানকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে দিতে আমরা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের কাছে সাহায্য চাচ্ছি।’

তারেক রহমানকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দিয়ে সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের বাইরেও বিক্ষোভ করে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ। তাদের অভিযোগ, তারেক রহমান রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার আইন ভঙ্গ করেছেন।

ব্রিটেনের সাথে বাংলাদেশ সরকারের কোন বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকলেও সরকারের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে নেয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন  বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আইনজীবী আবুল কালাম চৌধুরী।

দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বছর দেড়েক কারাগারে থেকে ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে আসেন। এর পর থেকে তিনি লন্ডনে আছেন। যদিও এখানে বসেই বিএনপির নীতি নিধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তারেক রহমান।

স্বাআলো/ডিএম