চলতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার হিসাবরক্ষক নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হিসাবরক্ষক’ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য সব সরকারি প্রাথমিকে পদটি সৃষ্টি করে সারাদেশের ৬৫ হাজার ৯৯টি বিদ্যালয়ে হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।চলতি বছর হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘হিসাবরক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠান প্রধান। তবে বিদ্যালয়ে পাঠদান ও তদারকি আরো বাড়তে একজন হিসাবরক্ষক প্রয়োজন। এ ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করতে কাজ চলছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে নতুন জাতীয়করণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৬ হজার ১৫৯টি এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ৬১টি। এসব স্কুলে একজন করে হিসাবরক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ হিসাবে সারাদেশে ৬৫ হাজার ৯৯ জন হিসাবরক্ষক নিয়োগ পাবেন। তবে কবে নাগাদ হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, পদ সৃজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লাগবে। চলতি অর্থবছরে হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার চেষ্টা করা হবে। একজন মানসম্পন্ন হিসাবরক্ষক নিয়োগ দেয়া হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি আরো নিশ্চিত হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উপর চাপ কমবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব ধরনের হিসাব সংরক্ষণ ও পরিচালনাসহ বিদ্যালয়ের দাফতরিক সব কাজ এককভাবে প্রধান শিক্ষককে দেখতে হয়। এ ছাড়া সরকারের নানা ধরনের নির্দেশনামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালনা-তত্ত্বাবধান-সমন্বয় সঠিকভাবে করতে পারছেন না প্রধান শিক্ষকরা। শুধু প্রধান শিক্ষক নন, সিনিয়র শিক্ষকরাও এ কাজে প্রায় সময় ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই শিক্ষকদের পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটে।

স্বাআলো/ডিএম