পাঠাগার মুসলিমদের ঐতিহ্য

পাঠাগার মুসলিমদের ঐতিহ্য

ডেস্ক রিপোর্ট : যুগান্তকারী ‍বিপ্লব ঘটার পরে জ্ঞান আহরণ ও এর ক্রমবৃদ্ধিকরণের প্রতি কোরআন ও হাদিসের অসংখ্য স্থানে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। একটি ভালো বই পুরো সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে।

সমাজ থেকে অন্যায়, অনাচার, শোষণ, নিপীড়ন বিদূরিত করতে বইয়ের বিকল্প নেই। মাত্র ২৩ বছরে মহানবী (সা.)-এর শাশ্বত শিক্ষার আলো আরবের সীমা অতিক্রম করে গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তথ্য সংগ্রহ, জ্ঞান অর্জন ও বই সংগ্রহে মুসলিম মনীষীরা যে অনুরাগ দেখিয়েছেন তার দৃষ্টান্ত মেলা ভার।

মহানবী (সা.)-এর যুগে পবিত্র কোরআন গ্রন্থিত করা না হলেও পরবর্তীকালে হজরত আবু বকর (রা.) ও ওসমান (রা.) কোরআন সংকলনে মনোযোগ দেন। বর্তমানে কোরআনের কোটি কোটি কপি পাওয়া যায়। একইভাবে খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)-এর শাসনামলে হাদিস সংকলন করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় কোরআন, হাদিস ও ইসলামী বিষয়ে এ পর্যন্ত যত বই বের হয়েছে আর কোনো ধর্ম, সভ্যতা ও বিষয়ে এত বই বের হয়নি।

জ্ঞানার্জনের জন্য পড়তে হয় বই-পুস্তক পড়তে হয়। মানুষ সহজেই বই সংগ্রহ করে জ্ঞানার্জন করতে পারে তার জন্য বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠতে থাকে পাঠাগার। পাঠাগার হচ্ছে ‍মুসলিমদের ঐতিহ্য । ইসলামের ইতিহাস পড়লে দেখা যায় মুসলমানরা কেবর আধ্যাত্মিকতার প্রোজ্জ্বল আলোয় উদ্ভাসিত একাটি মানবগোষ্টী থেকে আত্মপ্রকাশ করেনি, সাথে সাথে মানব সমাজের কল্যাণের বিশেষ অবদান রাখছে।

আরো পড়ুন>>>  রাবিতে ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও পাঠাগার’র নতুন কমিটি

জ্ঞান-বিজ্ঞানের জন্যই দীর্ঘ ৮০০ বছর মুসলমানরা দাপটের সাথে নিয়ন্ত্রণ করেছে বিশ্বসভ্যতাকে। ভারতের বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স টুডে’ ১৯৮০ সালে একটা লেখা প্রকাশ করেন । এর শিরোনাম ছিল ‘আরব ফাউন্ডার্স অব মডার্ন সাইর্স’ এই বই থেকে পাওয়া যায় অ্যারিস্টটল, প্লেটোসহ অনেক বিজ্ঞানীরা তাদের বই-প্রস্তুক চর্চা করে বিজ্ঞানের অনেক জ্ঞান আহরণের কাজে লাগে। এমনকি বিজ্ঞানী নিউটন যে মাধ্যাকর্ষণতত্ত্বের জন্য বিখ্যাত হলেন, সেটা তিনি পেয়েছিলেন তার প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে

স্বাআলো/এএম