ব্রিজ ভেঙে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ২০ গ্রামের মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট : ৯ মাস ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ২০ গ্রামের মানুষ।টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ধলিয়া খালের ওপর নির্মিত জীপেবল সেতু ভেঙে যাওয়ায়।খাল পারাপারে স্থানীয় উদ্যোগে একটি ছোট সাঁকো নির্মাণ করা হলেও সেটা ঝুঁকিপূর্ণ।

সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ ৯ মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও সেতুটি পুনঃনির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ হাজারও মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকায় আশপাশের ১০ গ্রামে উৎপাদিত ফসলসহ বিভিন্ন পণ্য কাঁধে করেই বাজারে আনতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের সড়ক যোগাযোগের সুবিধার্থে ২০০১ সালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ মাটিরাঙ্গা উপজেলায় তপ্তমাস্টার পাড়া এলাকায় ধলিয়া খালের উপর ২৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের জীপেবল সেতুটি নির্মাণ করে। গেল বর্ষায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সেতুর মাঝামাঝি অংশের মূল পিলারের গোড়া থেকে মাটি সরে গেলে পানির প্রবল স্রোতে সেতুটি নদীতে ভেঙে পড়ে। এতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সেতুর দুই প্রান্তে বসবাসকারী ২০ গ্রামের মানুষ।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য অমৃত কুমার ত্রিপুরা বলেন, সেতুটি পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সেতুর অভাবে দুর্ভোগের শেষ নেই। কেউ অসুস্থ হলে কাঁধে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।

মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা বলেন, সেতুটি ভেঙে পড়ার কারণে ২০ গ্রামের মানুষ মাটিরাঙ্গা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি পুনর্নির্মাণ করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জনগণকে বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

আরো পড়ুন>>> আমতলীতে ব্রিজ ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ বলেন, একাধিকবার সেতু এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে সেটি পুনর্নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দেয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার হালদার জানান, মাটিরাঙ্গার তপ্তমাস্টার পাড়া এলাকায় ভেঙে পড়া সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রায় ২ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

স্বাআলো/এসএ