বৃষ্টিতে ম্যাচ বাতিল হলেও রিজার্ভ ডে’র সুযোগ নেই : আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ যেনো বৃষ্টির খেলা। বিশ্ব ক্রিকেটের বিশাল এ আসরের প্রতিটি ম্যাচেই হানা দিচ্ছে বৃষ্টি। একের পর এক বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া ম্যাচগুলো মেনে নিতে পারছেন না দর্শকরা। শুধু দর্শক নয়, বৃষ্টির বাগড়ায় অপ্রত্যাশিতভাবে ওলট-পালট হয়ে যাচ্ছে পয়েন্ট টেবিলের হিসাব-নিকাশও। তবে এত বৃষ্টির বিঘ্নতা থাকলেও নেই কোন রিজার্ভ ডে’র ব্যবস্থা।

গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে রিজার্ভ ডে না রাখায় আইসিসিকে সমালোচনা করেছেন অনেকে। তবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন আইসিসি।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন বলেন, প্রতি ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখতে হলে টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য অনেক বেড়ে যাবে। তখন পুরো টুর্নামেন্টটা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা একরকম অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। তখন পিচ প্রস্তুত করা, দলগুলোর যাত্রার সময়সূচি, বিশ্রামের রুটিন, থাকার জায়গা, ঠিক দিনে ভেন্যু পাওয়া, স্বেচ্ছাসেবক ও ম্যাচ অফিশিয়ালদের প্রাপ্যতা ও উপস্থিতি, সরাসরি সম্প্রচারে সমস্যা হবে কি না-এসব কিছুর ওপর প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, অনেক দর্শকই আছেন, যারা অনেকক্ষণ ভ্রমণ করে খেলা দেখতে আসেন, তাদের ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া যেদিন রিজার্ভ ডে রাখা হবে, সেদিনও যে বৃষ্টি হবে না, তারও তো কোনো নিশ্চয়তা নেই।

আরো পড়ুন >>>ছাত্র হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

রিচার্ডসন আরো বলেন, একটা ম্যাচ যখন আয়োজনে ১ হাজার ২০০ জনের মতো মানুষ সংশ্লিষ্ট থাকে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের যাতায়াত করতে হয়। রিজার্ভ ডেতে ম্যাচ রাখা মানে আরো বেশি মানুষকে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত করা। তবে নকআউট পর্বে ম্যাচগুলোর জন্য রিজার্ভ ডে রয়েছে। আশা করছি, গ্রুপ পর্বের ৪৫ টা ম্যাচের মধ্যে অধিকাংশ ম্যাচেই ফলাফল আসবে।

বিশ্বকাপের সময় ইংল্যান্ডে এত বেশি বৃষ্টিপাত হবে সেটা আইসিসিও আশা করেনি।

রিচার্ডসন বলেন, ইংল্যান্ডের আবহাওয়া বড় বিচিত্র আচরণ করছে। গত দুদিনে আমরা জুন মাসের গড় বৃষ্টিপাতের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বৃষ্টিপাত দেখেছি। সাধারণত এমনটা দেখা যায় না। ইংল্যান্ডে জুন মাস সাধারণত বছরের তৃতীয় শুষ্কতম মাস। ২০১৮ সালের জুনে মাত্র ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টাতেই দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে বৃষ্টি হয়েছে ১০০ মিলিমিটারের মতো, যা খুবই আশ্চর্যজনক। যখন বৃষ্টি হয়, আমাদের মাঠের কর্মীরা ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করেন যেন যে করেই খেলা আয়োজন করা যায়। ওভার কমিয়ে হলেও যেনো ম্যাচটা হয়।

স্বাআলো/এইসএম