লাঞ্ছনার শিকার খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা

খুলনা ব্যুরো : প্রকল্পের নামে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলেও তা ছাড় না দেওয়ায় লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবুর রহমান।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে ঘটা এ ঘটনায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের কয়েকজন কর্মচারী, ঠিকাদার ও প্রভাবশালীদের মধ্যে শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট ভুয়া প্রকল্প ও বিল ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগি করে নেয়।

জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এসএম মাহাবুবুর রহমান বলেন, ৪০টির বেশি প্রকল্পে প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও নানা অনিয়মের কারণে যাচাই-বাছাইয়ের পর তা’ আটকে দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলোর অধিকাংশই বাস্তবে অস্তিত্ব নেই।

তিনি বলেন, পরিষদের গাড়ির চালক শহিদুল্লাহ নিয়মের বাইরে রূপসার আলাইপুর উত্তর শেখপড়া হযরত আবু বক্কার (রা.) মসজিদ উন্নয়ন কাজের চুক্তিতে সাক্ষি হিসেবে স্বাক্ষর করেছে। এর আগে গত ২০ জুন জেলা পরিষদের নামে বরাদ্দকৃত নতুন গাড়ির ‘ব্যাক ক্যামেরা’ কেনার নামে তার দেওয়া ২৪ হাজার ৯৭০ টাকার আরেকটি ভুয়া বিলও আটকে দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিল-ভাউচার আটকে দেওয়ায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চালক শহিদুল্লাহসহ কয়েকজন অফিস কক্ষে প্রশাসনিক কর্মকর্তার ওপর কোদাল নিয়ে আক্রমন করে। এসময় অফিসের কর্মচারী ও কয়েকজন ঠিকাদার তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।

তবে চালক শহিদুল্লাহ জানিয়েছেন, সম্প্রতি প্রশাসনিক কর্মকর্তার ব্যবহৃত গাড়িতে ১২ হাজার টাকার মালামাল লাগানো হলেও তার বিল পরিশোধ করেনি। এছাড়া তার গাড়ির জন্য চারটি টায়ার দাবি করেছেন। কিন্তু অবৈধ সুবিধা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, রূপসায় তার নানা বাড়ির কাছে মসজিদ উন্নয়নের একটি প্রকল্পের ব্যাপারে তিনি ফাইল ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন, এ নিয়ে কিছুটা কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে হামলার ঘটনা ঘটেনি।

স্বাআলো/এসএ

.

Author