ছাত্রকে বলাৎকারের পর হত্যা, মাদ্রাসার ৫ শিক্ষককে থানায় নিলো পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট : চুয়াডাঙ্গায় গলা কেটে হত্যার শিকার মাদ্রাসা ছাত্রের মাথাটি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা ইটভাটা সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে মাথাটি উদ্ধার করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের ডগ স্কোয়াডের সহযোগিতায় মাথাটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আবির হোসাইন ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার দৌলতপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা নূরানি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার আবির হোসাইনের মাথাবিহীন লাশ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ এবং ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আবিরের মাথা খুঁজতে থাকে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে কয়রাডাঙ্গা ইটভাটা সংলগ্ন পুকুর থেকে তার মাথা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

আরো পড়ুন>>>আলমডাঙ্গার আমবাগানে মিললো মাদ্রাসাছাত্রের মস্তকবিহীন লাশ

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবির জানান, প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে বলাৎকার করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডিএনএ টেস্ট ও নিহতের শরীরের নমুনা ঢাকায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে সঠিক ঘটনা জানা যাবে।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি মুন্সী আসাদুজ্জামান জানান, শিশু আবির হোসাইনের কাটা মাথা পাওয়া গেছে। তাকে বার বার বলাৎকার করে হত্যা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার ৫ শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, শিশু আবিরের মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নতদন্ত ও ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট হাতে পেলে এবং জিজ্ঞাসাবাদ সাপেক্ষে সঠিক ঘটনা জানা যাবে।

স্বাআলো/ডিএম

.

Author