এবার ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক

আন্তজার্তিক ডেস্ক : জম্মু-কাশ্মীরকে দ্বিখণ্ডিত করা ও সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর টানা ২০ দিন ধরে উপত্যকা অবরুদ্ধ। রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে সব দলের বিশিষ্ট নেতাদের। অনেককে গ্রেফতার করে রাজ্যের বাইরেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কোনো দলকে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিতে দেয়া হচ্ছে না।

এই কড়াকড়ির মধ্যে ভারতের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধের ডাক দিয়েছেন কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হুররিয়ত কনফারেন্সের নেতা সৈয়দ আলী শাহ গিলানি। গৃহবন্দি অবস্থা থেকে এক বিবৃতিতে কাশ্মিরের জনগণের প্রতি এ আহ্বান জানিয়েছেন ৮৯ বছরের এ রাজনীতিক।

সৈয়দ আলী শাহ গিলানি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের কাছে আমাদের আন্তরিক আবেদন, এই সংকটময় মুহুর্তে আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে হবে। সাধ্য অনুযায়ী, আমাদের সবারই এই প্রতিরোধে অংশ নেওয়া উচিত। জনগণের উচিত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আয়োজন করা এবং নিজ নিজ এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন।

ভারত সরকার কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে অঞ্চলটিকে দুই টুকরো করে ফেলার পর থেকেই গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন হুররিয়ত নেতা সৈয়দ আলী শাহ গিলানি।

গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের ঘোষণার মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে পাস হয় একটি বিলও। আর গত ৯ আগস্ট রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আইনে পরিণত হয় তা। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরজুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। ইন্টারনেট-মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। গ্রেফতার করা হয় স্বাধীনতাপন্থী ও ভারতপন্থী রাজনৈতিক নেতাসহ চার হাজার মানুষকে। রাতের বেলায় বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়ে তরুণদের তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে।

স্বাআলো/এসএ