চাকরি না পাওয়ার ৭ টি কারণ

ডেস্ক রিপোর্ট : বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ। প্রতিযোগিতামূলক এ যুগে বসে থাকলে চাকরি পাওয়া যাবে না। সময় নষ্ট না করে পরিশ্রম করুন। একবার ব্যর্থ হয়েছেন তো কী হয়েছে? জীবনটা এখানেই শেষ নয়। ব্যর্থতাকে কাজে লাগান। নতুন করে শুরু করুন। আগের বার কেন ব্যর্থ হয়েছেন তা খুঁজে বের করুন। সেই গ্যাপগুলো পূরণ করার চেষ্টা করুন। তবেই আপনার কাছে ধরা দেবে চাকরি নামক সোনার হরিণ।

১. মামা-চাচার জোর নেই

মামা-চাচা নেই বলেই আপনার চাকরি হচ্ছে না অথবা আছে কিন্তু সেই লম্বা হাতের প্রভাবশালী মামা-চাচা নেই। যার রেফারেন্স দিলেই আপনার চাকরি নিশ্চিত। আচ্ছা! লম্বা হাতের মামা, চাচা বা খালু কয়জনেরই বা আছে? সবার যে নেই সেটাতে মোটামুটি নিশ্চিত। আর সবার যদি মামা-চাচা থাকতোও তাহলে সবার কি চাকরি হয়ে যেতো? এটা একদম ভুল। আসলে যেটা প্রয়োজন সেটা হল যোগ্যতা।

২. ঘুষ দেয়ার সামর্থ্য বা ইচ্ছা নেই

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েদের সাধারণত ঘুষ দেয়ার সামর্থ্য থাকে না। লেখা-পড়ার খরচ জোগাতেই বাবা-মায়ের হিমশিম খেতে হয় প্রতিনিয়ত। ঘুষের জন্য আলাদা সঞ্চয় করা সম্ভব হয় না। তাহলে তাদের উপায় কী? সরকারি চাকরি আজকাল হয়ে উঠেছে ‘হীরার হরিণ’। সে আবার মোটা অঙ্কের ঘুষ ছাড়া কথা বলে না। তবে ঘুষই শেষ কথা নয়। ঘুষ ছাড়াও চাকরি হচ্ছে।

৩. টিকে থাকার মত দক্ষতা নেই

ক্ষমতার জোর বা ঘুষ ছাড়াও চাকরি না পাওয়ার অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে অন্যতম প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মত দক্ষতা। অনেকেরই এমন দক্ষতা নেই। সিলেকশন বোর্ডের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারলে কোনো কাজ হয় না।

৪. পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতার অভাব

এখন প্রায় সব ধরনের চাকরিতেই অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। কখনো কখনো বিজ্ঞপ্তিতেই উল্লেখ থাকে- ‘ফ্রেশারদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই’। তবে প্রশ্ন হলো, চাকরি না করলে অভিজ্ঞতা হবে কীভাবে? কেউ তো আর অভিজ্ঞতা নিয়ে জন্মায় না। বেশির ভাগ মানুষই পাস করে বের হওয়ার পর এই সমস্যার সম্মুখীন হন। এত কিছুর পরও কেউ কেউ চাকরি পান না। কারণ অনেক সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফ্রেশারদের সুযোগ দিচ্ছে।

৫. স্মার্টনেসের অভাব

এখনকার চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো দেখে স্মার্টনেস। তবে এই স্মার্টনেস শুধু আপনার পোশাকেই ফুটে উঠবে তা কিন্তু নয়। তারা আপনার সব দিক বিবেচনা করবেন। তাই আগে থেকেই সব বিষয়ের দিকে নজর দিন। সব দিক থেকে স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করুন।

৬. ভদ্রতা বা বিনয়ের অভাব

কথা বলার ক্ষেত্রে আপনাকে হতে হবে ভদ্র বা বিনয়ী। নম্র হতে হবে আপনাকে। কথা বলার স্টাইল বা ধরন পরিবর্তন করতে হবে।

৭. তথ্য সম্পর্কে আপডেট না থাকা

এক্ষেত্রে বলা চলে, আমরা কি জানি বা জানার চেষ্টা করি? ডিজিটাল এই যুগে সকল তথ্যের সঙ্গে আপডেট থাকতে হবে। কোনো তথ্য না জানলে জানার চেষ্টা করতে হবে। বর্তমানে তথ্য জানার অনেক মাধ্যম রয়েছে।

স্বাআলো/এসএ