সুখবর পেলেন না প্রাথমিকের শিক্ষকরা

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক উভয়েরই গ্রেড উন্নীত করে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সে প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের বেতন বাড়ছে না।

রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাদিয়া শারমিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে বেতন গ্রেড যথাযথ ও সঠিক থাকায় প্রধান শিক্ষক পদের বেতন গ্রেড-১০ ও সহকারী শিক্ষক পদের বেতন গ্রেড-১২-তে উন্নীতকরণের সুযোগ নেই। ৩১ জুলাই এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর গ্রেড পরিবর্তনের প্রস্তাবনা গত ২৯ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষকদের দাবির মুখে এ প্রস্তাবনায় প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়। যদিও সহকারী শিক্ষকদের দাবি ছিল ১১তম গ্রেডে বেতন ভাতা। তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি সমালোচিত হয় শিক্ষক মহলে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৫ হাজার ৯০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এগুলোতে ৪২ হাজার প্রধান শিক্ষক  ও তিন লাখ ২৫ হাজার সহকারী শিক্ষক রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা দিলেও মন্ত্রণালয় থেকে বেতন দেয়া হয় ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্যসব দফতরের কর্মকর্তারা বেতন পান দশম গ্রেডে। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকদের ক্ষোভের অন্ত নেই।

আরো পড়ুন>>> ভাইভা পরীক্ষায় ভালো করতে সুশান্ত পালের ১৭ পরামর্শ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে ১২,৫০০ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে ১০,২০০ টাকা পান। ১৬ বছর চাকরির পর একজন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকের বেতনে ব্যবধান হবে ভাতাসহ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

স্বাআলো/এএম