খুলনায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ : অবৈধ গর্ভপাত

খুলনা ব্যুরো: খুলনার ফুলতলার পায়গ্রাম কসবা গ্রামে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণ ও পরবর্তীতে অবৈধ গর্ভপাত ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ধর্ষক কাজী রাসেল ও তার ২ সহযোগী কাজী মিরান ও প্রিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার দুপুরে পুলিশ তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ধর্ষকের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

আরো পড়ুন>> খুলনায় জি-গ্যাস কোম্পানিকে সাড়ে দশ লাখ টাকা জরিমানা

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফুলতলার পায়গ্রাম কসবা গ্রামের সৈয়দ আমজাদ হোসেনের ছেলে সৈয়দ ইসরাইল হোসেন রাজু তার ভাইঝিকে (১৫) লালন পালন করেন। সে ফুলতলা রি-ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। ৪ মাস পূর্বে স্ব-পরিবারে ইসরাইল হোসেন রাজু কয়েক দিনের জন্য সাতক্ষীরার শ্বশুর বাড়িতে যান। যশোরের ভাতুড়িয়া দাড়িপাড়া গ্রামের কাজী হাবিবুর রহমানের ছেলে কাজী রাসেল (১৯) মামাবাড়িতে এসে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে কয়েকদিন ধরে ধর্ষণ করে। সম্প্রতি সে অসুস্থ্ হয়ে পড়লে তাকে ডাক্তারের কাছে নেওয়া হয়। বিভিন্ন পরীক্ষার পর চিকিৎসক তার অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে রাসেলের বড় ভাই কাজী মিরান (২৫) ও মিরানের স্ত্রী প্রিয়া খাতুন (২০) কৌশলে কিশোরীকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটায়। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে বুধবার দুপুরে ইসরাইল হোসেন রাজু  কাজী রাসেল, কাজী মিরান ও প্রিয়া খাতুনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ আসামিদের আটক করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফুলতলা থানার এসআই রতনুজ্জামান বলেন, এজাহারভুক্ত ৩ আসামিকে আটক করা হয়েছে। বিকেলে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন এবং অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে আসামি রাসেলের জবানবন্দী গ্রহণ শেষে ৩ আসামিকেই জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্বাআলো/এম