সবার আগে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট : বেশ কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ছিলো বাংলাদেশ। তাই আজও সেই আশঙ্কা ছিলো। তবে ব্যাট হাতে আজ জিম্বুবয়ের বিপক্ষে ভাল করে টাইগাররা। তারা প্রথমে ব্যাট করে ১৭৬ রানের লক্ষ্য বেধে দেয়ার পরই বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল যে, বাংলাদেশই জিততে যাচ্ছে এই ম্যাচে।

শেষ পর্যন্ত বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সেটাই সম্ভব হলো এবং জিম্বাবুয়েকে ৩৯ রানে হারিয়ে সবার আগে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছে গেলো সাকিব আল হাসানের দল।

১৭৬ রানের বিশাল লক্ষ্য। নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে জিম্বাবুয়েকে। কিন্তু জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দারুণ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে গেছে জিম্বাবুয়ে। স্কোরবোর্ডে ৮ রান যোগ করতে না করতেই টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে তারা।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ১৭৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। বোলার সাইফউদ্দিনের ৫ম বলেই সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ব্রেন্ডন টেলর। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই বিদায় নেন তিনি।

পরের ওভারে বল করতে আসেন সাকিব আল হাসান। এবার ওভারের ৩য় বলে বোল্ড হয়ে গেলেন রেগিস চাকাভা। ২ রানের মাথায় পড়লো দ্বিতীয় উইকেট। এরপর চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে শফিউল ইসলামের বলে ক্যাচ দেন আফিফ হোসেন ধ্রুবর হাতে।

এর আগে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। যেখানে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করে টাইগাররা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিতে ৪.৫ ওভারে ঝড়ো ৪৯ রান তুলেছেন লিটন দাশ ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে পঞ্চম ওভারে কাইল জার্ভিসের বলে তার কাছে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন শান্ত (১১)। আর পরের ওভারেই ক্রিস এমপোফুর বলে তুলে মারতে গিয়ে নেভিল মাদজিভাকে ক্যাচ দেন লিটন। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ২২ বলে ৪টি চার ও দুটি ছক্কায় ৩৮ রান করেন।

দলীয় ৬৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ১০ রান করে রায়ান বার্লের বলে আউট হন তিনি। কিন্তু এরপর মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লা দ্রুত ব্যাট চালিয়ে ১২তম ওভারে দলীয় ১০০ রান পূরণ করেন।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ৭৮ রান করে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। টিনোটেন্ডা মাতুমবদজি বলে আউট হওয়ার আগে ২৬ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৩২ করেন মুশফিক। আর শেষে ওভারে আউট হন দুর্দান্ত ব্যাটিং করা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কাইল জার্ভিসের বলে আউট হওয়া এই ডানহাতি ৪১ বলে এক চার ও ৫টি ছক্কায় ঝড়ো ৬২ রান করেন। একই ওভারে মোসাদ্দেক হোসেন তুলে মারতে গিয়ে ব্যক্তিগত ২ রানে বিদায় নেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

স্বাআলো/ডিএম