ক্লিনিকের অ্যবস্থাপনায় রোগীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর : বন্ধন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের অপচিকিৎসার জন্য রিতু খাতুন(২০) নামে এক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

আজ সোমবার দুপুরে রোগী মারাগেছে বুঝতে পেরে ওই ক্লিনিকের লোকজন রোগীটিকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পাঠিয়ে দেন। এসময়  জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

নিহত রিতু খাতুন ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামের সাগর হোসেনের স্ত্রী ও যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার প্রেমচারা গ্রামের আসলামের মেয়ে।

নিহতের খালাত বোন নাজমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, আমার বোনের কয়েক মাস আগে সিজারিয়ান করে সন্তান প্রসব করা হয়। তার পর থেকে সে অসুস্থ ছিলো। মাথা ব্যাথা,জ্বর,ঘাড়ে ব্যাথা নিয়ে গত ১২ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে যশোর শহরের জেলরোডে বন্ধন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। সেখানে ভালো চিকিৎসা করানো হয়নি। কিন্তু আজ সোমবার দুপুরে সে মারা গেছে বুঝতে পেরে ক্লিনিকের লোকজন উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে বলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক শফিউল্লাহ সবুজ দুপুর দুইটার দিকে মৃত্যু ঘোষণা করে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রিতু খাতুন মারা গেছে।

আরো পড়ুন>> সমকালের বিরুদ্ধে যশোরে আরো দুটি মামলা

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০ বছর বয়সের রোগীটি জ্বরের কারণে মারা যাওয়ার কথা না। তার মৃত্যু নিয়ে আমার সন্ধেহ হওয়ার কারণে ময়না তদন্ত করার জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে রোগীর স্বজনের বলছেন,  ডাক্তার শফিউল্লাহ সবুজের সাথে ওই ক্লিনিকের লোকজনদের সাথে সমস্যা আছে যার কারণে শত্রুতা মূলক ভাবে তিনি লাশটি মর্গে পাঠিয়েছে।

জানতে চাইলে বন্ধন ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, রোগীটিকে গত দূই মাস আগে খাজুরার তমা ক্লিনিকে সিজারিয়ান করানো হয়েছিলো৷ গত দুই দিন আগে রোগীটি আমাদের ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। আমাদের দুই জন মেডিকেল অফিসার রোগীটিকে দেখেছে, রোগীটী সুস্থ হয়েছিলো৷ কিন্তু কেন যে রোগীটি হটাৎ মারা গেলো বুঝতে পারলাম না।

স্বাআলো/এম