জরায়ু কেটে ফেলায় ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা

চুমু দেয়া ডাক্তারের ঠিকানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর :  সুস্থ বাঁচ্চা মৃত গর্ভপাত, গর্ভবতীর জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা, প্রকাশ কুমার মজুমদারের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। মণিরামপুর উপজেলার মাছনা গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে আয়ুব হোসেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে এ মামলা করেন।

ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক বিষয়টি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আয়ুব হোসেন জানান, তার বোন শরীফা বেগম যশোরের একটি হাসপাতাল থেকে আলট্রাসনোগ্রাফীর মাধ্যমে জানতে পারেন, তার গর্ভের সন্তান সুস্থ্ আছে। পরবর্তিতে ১৫ আগষ্ট শরীফা অসুস্থ হয়ে পড়লে ওইদিন বিকেলে তাকে ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভর্তির পর যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক, আধুনিক হাসপাতালের ডা. প্রকাশ কুমার মজুমদার শরীফার চিকিৎসার ব্যাপারে অবহেলা করেন। এসময় ধীরে ধীরে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকলে একপর্যায়ে ১৭ আগষ্ট মৃত অবস্থায় শরীফার বাঁচ্চাটি গর্ভপাত করে। রাতে তার অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে ডি এন্ড সি করে। এসময় গর্ভস্থফুল বের না করে বের করে আনে শরীফাকে। এতে শরীফার তলপেটে রক্ত জমাট বেধে থাকে। পরে ডা. প্রকাশ কুমার কৌশলে বাড়ি নিয়ে যেতে বলেন।

আরো পড়ুন>> উঠে গেল মামলা, যশোর ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে আর বাধা নেই

এমতাবস্তায় শরীফার অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে আরেকটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ফের অন্য একজন ডাক্তার দ্বারা অপারেশন করে ওই রক্ত জমাট পরিস্কার করা হয়। ওই সময় দেখা যায় শরীফার জরায়ু কাটা রয়েছে। এছাড়া এসব অপচিকিৎসার কারণে শরীফার কিউনি সাময়িক অকেজো হয়ে পরে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়। যা পরে ডায়ালাইসসিসের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে তার বোন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্বাআলো/এম