ভোলায় সরকারি ছুটি বাতিল

জেলা প্রতিনিধি, ভোলা : বুলবুলের কারণে ভোলায় সব ধরণের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে চার নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।  ঝড় মোকাবিলায় জেলায় ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সদরসহ সাত উপজেলায় খোলা হয়েছে আটটি কন্ট্রোল রুম। গঠন করা হয়েছ ৯২ টি মেডিকেল টিম।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুক্রবার সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে জেলা জুড়ে। কোনো কোনো এলাকায় ভারী বর্ষণও হয়েছে। পুরো জেলা মেঘাচ্ছন্ন। নদী এবং সাগর উত্তাল। জেলেরা তীরে চলে এসছেন। ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বাতিল করা হয়েছে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি। মানুষকে সতর্ক করতে উপকূলে চলছে রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির প্রচারণা।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি বিষয়ক এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরো পড়ুন>> ভোলার এসপির ফেসবুক আইডি হ্যাক

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলা পর্যায়ে একটিসহ ও সাত উপজেলায় সাতটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এর থেকে সকল মানুষ সার্বক্ষণিক ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক সেবা নিতে পারবে। জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিপিপি, রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসসহ মোট ১৩ হাজার সেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।দুর্যোগকালীন সময়ে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ৯২টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় চাল, টিন ও নগদ টাকাসহ পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী রয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের মাধ্যমে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

ভোলা সিপিপির উপ-পরিচালক সাহাবুদ্দিন বলেন, ভোলায় এখনো চার নং সতর্কতা সংকেত চলছে। ঝড়টি কোন দিকে আঘাত হানবে এ মুহূর্তে ঠিক বলা যাচ্ছে না। ঝড়ের বিষয়ে মানুষকে জানাতে সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। সিপিপির ১০ হাজার ২০০ সেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছে।

স্বাআলো/এম