স্ত্রীর পর ছোট মেয়েকে হত্যা, বড়টাকে মারতে গিয়ে বিপত্তি

ময়মনসিংহ ব্যুরো: ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় স্ত্রী ও সন্তানকে গলাটিপে হত্যা করেছেন শফিকুল ইসলাম শাহিন নামের এক ব্যক্তি (৪৬)।

এ সময় বড় মেয়ে সাদিয়া হত্যার দৃশ্য দেখে ফেলায় তাকেও হত্যার চেষ্টা করেন বাবা। আজ বুধবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ফকিরবাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন স্ত্রী রুমা আক্তার (৩৮) ও মেয়ে নাফিয়া আক্তার (১২)। আহত অবস্থায় বড় মেয়ে সাদিয়াকে (২০) উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শাহিন কাঠ ব্যবসায়ী। পাশাপাশি জমির দালালি করেন। বুধবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রুমা আক্তারকে গলাটিপে হত্যা করেন শাহিন। এই দৃশ্য ছোট মেয়ে নাফিয়া দেখে ফেলায় তাকেও গলাটিপে হত্যা করেন। ঘরের ভেতর থেকে চিৎকারের শব্দ পেয়ে বড় মেয়ে সাদিয়া ঘরে প্রবেশ করে হত্যাকাণ্ড দেখে ফেলায় তাকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়।

এ সময় সাদিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসায় শাহিন পালিয়ে যান। স্থানীয়রা সাদিয়াকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করছি আমরা। হত্যাকারী পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

মা-মেয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত বড় মেয়ে সাদিয়াকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান ওসি মাহমুদুল ইসলাম।

স্বাআলো/আরবিএ