নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: আর কতদিন বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে হবে জানে না এলাকাবাসী। বন্যার সময় নৌকায়, খরার সময় বাঁশের সাঁকোয় অথবা হাঁটু পানি পাড়ি দিয়ে চরবাসিকে চলাচল করতে হচ্ছে বছরের পর বছর। অথচ আজও চরাঞ্চলের কমপক্ষে ৫০টি স্থায়ী নালা বা শাখা নদীর ওপর কোন সেতু নির্মাণ করা হয়নি। সে কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা কষ্ট করে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করছে ।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে এখন অসংখ্য নালা ও শাখা নদীতে পরিণত হয়েছে। অনেক শাখা নদী এখন স্থায়ী হয়ে গেছে। তিস্তার স্রোতে ওইসব নালা ও শাখানদী ভাঙনের সম্ভাবনা নেই। কিন্তু ওইসব শাখানদী ও নালায় সেতু নির্মাণের কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর  উদ্যোগে  নির্মাণ করা হয় ওইসব সাঁকো।

উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, তার ইউনিয়নে কমপক্ষে ১০টি স্থানে বাঁশের সাঁকো রয়েছে । প্রতিবছর বন্যা পরবর্তি সাঁকো নির্মাণ করে দিতে হয় এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য। তিনি মনে করেন যে সমস্ত নালা বা শাখানদী স্থায়ী হয়ে গেছে, সেখানে সেতু নির্মাণ করা একান্ত প্রয়োজন।

উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মুনছুর জানান, চরাঞ্চলে সেতু নির্মাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় করে থাকে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে চরাঞ্চলে বেশ কয়েকটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি স্থানের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

স্বাআলো/এসএ