হাত-পা বেঁধে তরুণীকে গণধর্ষণ

2

জেলা প্রতিনিধি, ভোলা: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার একটি দুর্গম চরে ট্রলারের মধ্যে বেঁধে রেখে এক তরুণীকে (২০) দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রবিবার সকালে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের চরফারুকি গ্রামের বুড়াগৌরঙ্গ নদীর তীরবর্তী দুর্গম চরের একটি ট্রলার থেকে তাদের গ্রেফতার করে কোস্টগার্ড। এর আগে শনিবার বিকেল থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন>>>  স্বামীকে খুঁজে দেয়ার কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ

গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সোহেল রানা দিদার (২০), ইউসুফ হাসান (২০), ৩নং ওয়ার্ডের ওয়াসেল আহম্মেদ (২০), চর কচ্ছপিয়া এলাকার রিপন (২০) ও  মোরশেদ হাওলাদার (৩৫)।

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, ৫-৬ মাস আগে চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের এক তরুণীর সঙ্গে চরমানিকা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাকিম দালালের ছেলে সোহেল রানার মোবাইলে পরিচয় হয়।

গতকাল শনিবার তরুণীকে ডেকে আনে সোহেল রানা। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দক্ষিণ আইচায় এলে তরুণীকে চর কুকরি-মুকরিতে নিয়ে যায় সোহেল। সেখানে সোহেল, তার বন্ধু ইউসুফ হাসান, ওয়াসেল আহম্মেদ তরুণীকে ধর্ষণ করে।

সন্ধ্যায় ট্রলার নিয়ে আসে রিপন ও মোরশেদ। পরে তারাও তরুণীকে ধর্ষণ করে। এরপর ট্রলার চালিয়ে তরুণীকে নিয়ে চরমানিকার দিকে যায় তারা। রাতভর ট্রলারের মধ্যে তরুণীকে দফায় দফায় ধর্ষণ করে তারা।

রবিবার ভোরে ট্রলারের পাশ দিয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের একটি টহল টিম যাচ্ছিল। এ সময় ট্রলার থেকে তরুণীর চিৎকার শুনে এগিয়ে যায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা। পরে পাঁচ বন্ধুকে আটক করে তরুণীকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। সকালে তরুণী ও পাঁচ ধর্ষককে দক্ষিণ আইচা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ওসি হারুন অর রশিদ আরো বলেন, দুপুরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন তরুণী। ধর্ষণের শিকার তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাঁচ ধর্ষককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

স্বাআলো/এসএ