ইনিংস ব্যবধানে জিতার মুখে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের চতুর্থ দিন ব্যাট করছে জিম্বাবুয়ে।

জিম্বাবুয়ে ২য় ইনিংস: ৩২ ওভারে ১১৪/৫

জিততে আর ৫ উইকেট চাই বাংলাদেশের। স্বাগতিকদের আবার ব্যাট করাতে জিম্বাবুয়ের চাই আরো ১৭২ রান।

জীবন পাওয়া পরেও কাজে লাগাতে পারলেন না ক্রেইগ আরভিন। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ফিরলেন রান আউট হয়ে। ভাঙল দ্রুত এগোনো ৬০ রানের জুটি।

তাইজুল ইসলামের বল সিকান্দার রাজা কাভারে খেলার পর রানের জন্য ছুটেন দুই ব্যাটসম্যান। সরাসরি থ্রোয়ে মুমিনুল হক বেলস ফেলে দেয়ার সময় বেশ বাইরে ছিলেন আরভিন। জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিসনায়ক ৪৯ বলে ছয় চার ও এক ছক্কায় ফিরেন ৪৩ রান করে।

৩০ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ১০৪/৫। ক্রিজে রাজার সঙ্গী টাইমাইসেন মারুমা।

আগের দিন জিম্বাবুয়ের ইনিংসের প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট নেয়া নাঈম হাসান একটু দেরিতে এলেন বোলিংয়ে। এসেই আঘাত হানলেন তরুণ অফ স্পিনার। ফিরিয়ে দিলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে সফরকারীদের সফলতম ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেইলরকে।

নাঈমকে সুইপ করেছিলেন টেইলর। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে। ঠিক এই ধরনের কিছুর জন্যই সেখানে ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ক্যাচ মুঠোয় নিতে ভুল হয়নি তার। ৪৭ বলে একটি করে ছক্কা ও চারে ১৭ রান করেন টেইলর।

চতুর্থ দিন সকালে আবু জায়েদ চৌধুরী ও তাইজুল ইসলামকে আক্রমণে রেখেছেন অধিনায়ক। সাফল্য এলো তাইজুলের হাত ধরে। বাঁহাতি স্পিরারকে পা বাড়িয়ে খেলতে চেয়েছিলেন কাসুজা। ফ্লাইটে বিভ্রান্ত হয়ে ঠিক মতো খেলতে পারেননি। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে ক্যাচ যায় দ্বিতীয় স্লিপে মোহাম্মদ মিঠুনের কাছে। ৩৪ বলে ১০ রান করে ফিরেন কাসুজা।

বোলারদের ওপর অগাধ আস্থা মুশফিকুর রহিমের। ডাবল সেঞ্চুরি করা এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আত্মবিশ্বাসী, আর ব্যাটিংয়ে নামতে হবে না তাদের। বাকিটা সারতে পারবেন বোলাররা।

স্বাআলো/টিআই