পাঁচবিবিতে ডিএপি সংকট, বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি,জয়পুরহাট: জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বোরো মৌসুমের শুরুতে ডিএপি সংকট দেখা দিয়েছে। তবে বস্তা প্রতি ১০০ থেকে ২৫০ টাকা বেশি দিলেই পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সরকার ডিএপির দাম কমালেও এর সুফল পাচ্ছেন না কৃষক।

দাম বেশি নেয়ার কথা অস্বীকার করে সার ডিলাররা বলেন, সরবরাহ না থাকায় কৃষক সার পাচ্ছেন না।

সরকার বোরো মৌসুমের শুরুতেই ডিএপির দাম ডিলার পর্যায়ে কেজিতে ১৪ টাকা ও কৃষক পর্যায়ে ১৬ টাকা করায় কৃষকরা খুশি হয়েছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ডিএপিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ১৮ ভাগ থাকায় কৃষক তা ব্যবহার করেন। আর এ জন্য ফলনও ভালো হয়।’

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। চলতি মাসের বরাদ্দকৃত ৩৯৫ মেট্রিক টন ডিএপি ডিলাররা উত্তোলন করেছেন। উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে ১২ জন ডিলারের মাধ্যমে ৮১ জন সাব ডিলার সার বিক্রয় করে থাকেন। তবে অনেক ডিলার জানান, তাদের কাছে ডিএপি নেই। সে কারণে কৃষকও পাচ্ছেন না।

উপজেলার ডুগুরপাড়ার খুচরা সার ডিলার ফেরদৌস হোসেন বলেন, ডিলাররা সার না দিলে আমরা বিক্রি করব কিভাবে।

খুচরা সার ডিলার বিরাজ হোসেন বলেন, ডিলারদের কাছে ডিএপি থাকলেও তারা দিচ্ছেন না। ডিএপি নিতে হলে বেশি করে টিএসপি সার নিতে হবে। আর টিএসপি সারের দাম বেশি হওয়ায় কৃষক বেশি পরিমাণে কিনতেও পারছেন না।
বীরনগর গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেনসহ অনেকেই জানান, ডিএপি না পাওয়ায় ২৪ টাকা কেজি দরে টিএসপি সার কিনে জমিতে দিয়েছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফর রহমান বলেন, চাহিদা বেশি থাকায় এ সমস্য হচ্ছে।

স্বাআলো/টিআই