সরকারি খাল দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ

জেলা প্রতিনিধি, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাকড়াবুনিয়া  সরকারি খাল দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

কাকড়াবুনিয়া খালটির দৈর্ঘ সাড়ে চার কিলোমিটার। খালের জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন পশ্চিম কাকড়াবুনিয়া গ্রামের খলিল মেলকার। উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তিনি  নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।

কাকড়াবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উপজেলার ভয়াং, বৈদ্যপাশা, রানীপুর,সাতবাড়িয়া,কলাগাছিয়া ও মকুমা গ্রামের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ এ খালটি। দখলের কারণে এটি অনেকটাই ছোট হয়ে এসেছে। ফলে বর্ষা মৌসমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা চরম ব্যাহত হবে।

খলিল মেলকার বলেন, খালের সঙ্গেই আমার জমি। আমার স্থাপনার কিছু অংশ খালের মধ্যে পড়তে পারে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজ করতে নিষেধ করায় আপাতত কাজ বন্ধ রেখেছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরোয়ার হোসেন বলেন, নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি। পরবর্তীতে সার্ভেয়ার দিয়ে খালের জমি মেপে দেখা হবে। খালের জমির মধ্যে যদি পাকা ঘর নির্মাণ হয়ে থাকে তা অবশ্যই ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।

স্বাআলো/কে