করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: অবশেষে করোনাভাইরাসের ছোবল পড়লো বাংলাদেশেও। রবিবার এ দুঃসংবাদ দিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি জানিয়েছেন, আক্রান্ত এই তিন ব্যক্তির মধ্যে দুজন ইতালি থেকে দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে দুজন পুরুষ, অপরজন নারী। এমন পরিস্থিতিতে অকারণ আতঙ্কিত না হয়ে, সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

চলুন ইউনিসেফ কী বলছে, জেনে নিই-

১. করোনা মোটামুটি বড়সড় একটি ভাইরাস। তবুও খালি চোখে দেখা যাবে না, ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ লাগবে এটাকে দেখতে!

২. এর আকারের কারণে বাজারে পাওয়া যায় এমন মাস্ক এটাকে প্রতিরোধ করতে স্বক্ষম হবে।

৩. যেহেতু এই ভাইরাস বাতাসে নয়, মাটিতে অবস্থান করে, তাই এটা বাতাসে ছড়ায় না।

৪. কোনো ধাতব তলে বা বস্তুতে করোনা পড়লে প্রায় ১২ ঘণ্টা জীবিত থাকতে পারে। তাই সাবান দিয়ে হাত ধুলেই যথেষ্ট হবে।

৫. কাপড়ে এই ভাইরাসটি প্রায় ৯ ঘণ্টা জীবিত থাকতে পারে। তাই, কাপড় ধুয়ে নিলে বা রোদে ২ ঘণ্টা থাকলে এটি মারা যাবে।

৬. হাতে বা ত্বকে এই ভাইরাসটি ১০ মিনিটের মতো জীবিত থাকতে পারে। তাই, অ্যালকোহলভিত্তিক জীবাণুনাশক হাতে মেখে নিলেই জীবাণুটি মারা যাবে।

৭. করোনা গরম আবহাওয়ায় বাঁচে না। ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এটিকে মারতে পারে। কাজেই, ভালো না লাগলেও এখন বেশি বেশি গরম পানি পান করবেন; আইসক্রিম থেকে দূরত্ব বজায় রাখবেন।

৮. লবণমিশ্রিত গরম পানি দিয়ে গারগল করলে গলার মিউকাস পরিষ্কার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টনসিলের জীবাণুসহ করোনাও দূর হবে, ফুসফুসে সংক্রমিত হবে না।

৯. আর, নাকে-মুখে আঙ্গুল বা হাত দেয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ, মানব শরীরে জীবাণু প্রবেশের সদর দরজা হলো নাক-মুখ-চোখ!

স্বাআলো/এসএ