করোনাভাইরাসের কারণে চালের দাম বৃদ্ধি

জেলা প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ : করোনাভাইরাস আতঙ্কে মুন্সীগঞ্জে হঠাৎ চাল বিক্রির ধুম পড়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলার শহর বাজার ও মুন্সিরহাটে সরেজমিনে চাল বিক্রির ধুম দেখা যায়। ক্রেতা বিক্রেতারা জানান, বিদেশের অনেক জায়গায় করোনাভাইরাসের কারনে দোকানপাট বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও যেকোন সময় দোকানপাট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেজন্য চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি বেড়েছে।

শহরের বাজারে খুচরা ও পাইকারি চালের দোকানদার নিজাম উদ্দিন জানান, করোনাভাইরাস আতংকে চাল বিক্রি দ্বিগুন হয়েছে। দুইদিনের ব্যবধানে দামও বেড়েছে বস্তা প্রতি ২০০ টাকা। এখন মোকামের লোকেরা বলছে তাদের কাছে চালই নেই। দাম নিয়ে তাদের সাথে কথাও বলা যায়না। মুন্সিরহাটের চাল বিক্রেতা পাপ্পু সাহা জানান, বিক্রি বেড়েছে। দামও বেড়েছে প্রতি বস্তায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। তবে, হাটের দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত চালের মজুদ আছে। আর কিছু দিন পরে নতুন চাল বাজারে চলে আসবে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ জানান, বাজার থেকে চাল, ডাল, তেল মজুদের ব্যাপারটি জানা নেই। এই সুযোগে যদি দাম বৃদ্ধি পায় তাহলে তা মোটেও ঠিক হবে না। বাজারে গিয়ে বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, মুন্সীগঞ্জ জেলার ছয় উপজেলায় বিগত ২৪ঘণ্টায় নতুন ১৫জনসহ মোট ৮৫জন হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। মুন্সীগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ বুধবার সকালে এতথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ওই ৮৫ জনকে বাইরে ঘোরাফেরা না করে বাসায় অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি কেউ আদেশ অমান্য করে তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্বাআলো/টিআই