সেনাবাহিনী নামার খবরে কমছে নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর: করোনাভাইরাসের আতঙ্কের প্রভাব পড়েছিলো যশোরের বাজারে। বিশেষ করে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম দফায় দফায় গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকে। তবে সোমবার সারাদেশে সেনাবাহিনীর নামার খবরে এই উর্দ্ধমুখি বাজার কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

 সুযোগ বুঝে চালের দাম বাড়িয়ে দেয় চালকল মালিক ও বড়বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা। এজন্য তাদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করে প্রশাসন। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দাম বাড়তে থাকে দফায় দফায়।

এভাবে দফায় দফায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেজায় ক্ষুব্ধ হন সাধারণ ক্রেতারা। গত শুক্রবার যশোর বড়বাজারে আগের ২৮ থেকে ৩০ টাকার মোটা চাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকায়। রবিবার এই চালের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ টাকা। এভাবে সবধরনের চালের দাম বেড়ে যায় কেজি প্রতি আট থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত।

চালের মতো পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয় ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। ১৫ টাকার আলুর দাম বেড়ে ২৫ থেকে ২৮ টাকা দাঁড়ায়। এভাবে রসুন, ছোলাসহ সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়।

তবে সেনাবাহিনী নামার খবরে বাজার দর এখন নিম্নমুখী হয়েছে। আলুর দাম এখন ২০ টাকার নিচে নেমে এসেছে। চালের দামও পড়তির দিকে। কমছে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও।

যশোর বাজার নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান বলেন, কোন কারণ ছাড়াই যশোরের বাজারে চালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায়। চালকল মালিকরা ‘সুযোগ বুঝে’ চালের দাম বাড়িয়ে দেন। এজন্য আমরা চালকল মালিক ও বাজারের ব্যবসায়ীদের চিঠি দিয়েছিলাম। তবে খুব বেশি কাজ হয়নি। তবে সোমবার বিকাল থেকে বাজারে পণ্যের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

স্বাআলো/ডিএম