চৌগাছায় করোনা সন্দেহে নারী আইসোলেশনে, পাঁচ বাড়ি লকডাউন

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় রেনুকা ওরফে রিয়া (১৮) নামে এক নারীর শরীরে করোনাভাইরাস সন্দেহে পাঁচ বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম, পৌর মেয়র নূর উদ্দিন আল মামুন হিমেল ও এসিল্যান্ড নারায়ণ চন্দ্র পাল পৌরসভার পশ্চিম কারিগর পাড়ার দুটি বাড়ি ও পৌরসভার মধ্যে ওই নারীর বান্ধবীর বাড়িসহ  আরো দুই বাড়ি লকডাউন করেন। পরে ওই নারীর স্বামী পরিচয় দানকারী উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের দাউদ হোসেন মিস্ত্রির ছেলে মমিনুর রহমানের বাড়ি লকডাউন করা হয়। মমিনুর বিদেশ ফেরত বলে জানা গেছে।

আরো পড়ুন>>>  করোনা নিয়ে বাংলাদেশকে দু:সংবাদ দিল জাতিসংঘ

এর আগে ওই নারীকে চৌগাছা হাসপাতালে নেয়া হলে সেখান তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয় এবং ওই নারীকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

এরপর রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ওই পাঁচ বাড়ি লকডাউন করা হয়।

চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, ওই নারীর শরীরে করোনাভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যাওয়ায় তার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআরএ পাঠানো হয়েছে এবং ওই নারীকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসোলশনে রাখা হয়েছে।

চৌগাছা পৌর মেয়র নূর উদ্দিন আল মামুন হিমেল বলেন, ওই বাড়ি চারটি লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। বাড়ির  বাসিন্দাদের বাইরে বের না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম লকডাউনের বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব বলেন ওই নারীর ভাড়া নেয়া বাড়ি ও মমিনের গ্রামের বাড়ি লকডাউন করে দেয়া হয়েছে।

ভাড়াটিয়া বাড়িটির মালিক রবিউল ইসলাম জানান, ওই নারী নিজেকে রিয়া এবং মমিনকে স্বামী পরিচয় দিয়ে মার্চ মাসের শুরুতে ওই বাড়িতে ভাড়ায় ওঠে। তবে চৌগাছা হাসপাতালে তিনি নিজেকে রেনুকা পিতা ওয়াজেদ আলী পরিচয় দিয়ে ভর্তি হন।

স্বাআলো/এসএ