চিতলমারীতে গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা

আজাদুল হক, বাগেরহাট: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় প্রকাশ্যে বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের পর প্রতিবাদকারী গৃহবধূ ইতি বেগমকে (২২) গলাকেটে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। বুধবার দুপুওে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তবে হত্যার সাথে জড়িত কাউকে পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময়ে চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের মীর জাহিদুল ইসলাম মধুর বাড়িতে এই হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত ইতি বেগম চিতলমারী উপজেলার কুনিয়া গ্রামের মীর জাহিদুল ইসলাম মধুর স্ত্রী।

ভাসুর মীর হাফিজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের আগে আমি ও আমার ছোট ভাই জাহিদুল দুই বউকে বাড়িতে রেখে নোয়াখালীতে বেড়াতে আসি। বেড়াতে এসে এখানে আটকা পড়েছি। বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে দুইদিন আগে সন্ত্রাসীরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আমরা এই ঘটনা থানা পুলিশে অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমাদের সাথে প্রতিবেশি ইকবাল ফেরদাউসসহ কয়েকজনের বাগান বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। যা নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। সেই বিরোধের জেরে ওই প্রতিবেশিরা আমার ভাইয়ের বউকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে আমলা আশঙ্কা করছি।

চিতলমারী থানার ওসি মীর শরীফুল হক বলেন, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে ইতি বেগম একা নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোন এক সময়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে ইতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, সোমবার প্রকাশ্যে ওই বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ কেউ দেননি। তাই কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

স্বাআলো/ডিএম