যশোরে এমপি নাবিলের পক্ষে ১৫ হাজার পরিবারে পৌঁছে যাচ্ছে খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ‘ঘরে অবস্থান’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এসব ‘দিন আনা দিন খাওয়াদের’ সমস্যা সমাধানে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।  সহযোগিতা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিত্তবানরাও।

যশোর সদর উপজেলায় পুলিশ ও নেতাকর্মীদের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার ১৫ হাজার পরিবারে এই খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন তিনি।

জানা যায়, যশোর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে গত তিন দিন ধরে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ দেড় সহস্রাধীক পরিবারে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। পৌর এলাকায় দুই এক দিনের মধ্যে আরো এক হাজার ৫০০ পরিবারে খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। করোনাভাইরাসের কারণে সংকটে পড়াদের বাড়িতে পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই কেজি আলু, এক কেজি তেল, আধা কেজি লবণ এবং দুইটি সাবান পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের নিজস্ব তহবিল থেকে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেয়া হচ্ছে বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

যশোর শহর আওয়ামী লীগনেতা লুৎফুল কবীর বিজু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ আমাদের প্রকৃত ভুক্তভোগী ও গরিবদের খুঁজে বের করে খাদ্য সহায়তা দিতে বলেছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তালিকা তৈরি করে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। শহর এলাকায় পুলিশ ও নেতাকর্মীরা সংসদ সদস্যের পক্ষে দেড় সহস্রাধীক পরিবারে খাবার বিতরণ করছেন। জনসমাগম এড়াতে রাতে এসব খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। দুই একদিনের মধ্যে আরো দেড় হাজার পরিবারে এই খাবার দেয়া হবে।

জানা যায়, আগামীকাল থেকে সদর উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিবেন নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে এজন্য তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু জানান, সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকায় ১৫ হাজার পরিবারকে আমাদের খাদ্য সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা যশোর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে দেড় হাজারের বেশি পরিবারে খাবার পৌঁছে দিয়েছি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিতরণ শুরু হবে। নেতাকর্মীরা তালিকা তৈরি করছেন। যাতে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা সহায়তা পান সেজন্য তালিকা তৈরীর সময় সর্তকতা অবলম্বন করা হচ্ছে। আমাদের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের নির্দেশনায় সব কাজ চলছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে আরো খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হবে।

স্বাআলো/ডিএম