করোনাকালীন মহাদুর্যোগে জনগণের পাশে নেই তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর: যশোরে বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা টিএস আইয়ুব। তিনি একাধারে বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। একাধিকবার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যশোর-৪ আসনে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু এই করোনাকালে মহাদুর্যোগে পড়া সাধারণ মানুষের পাশে এখনো দেখা যায়নি এই নেতাকে।

টিএস আইয়ুবের মতো প্রায় এক মাস ধরে কর্মহীন হয়ে পড়া সাধারণ মানুষের পাশে নেই সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা যশোর-১ আসনের মফিকুল হাসান তৃপ্তিও। এছাড়া এখনো পর্যন্ত মাঠে দেখা যায়নি যশোর জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর নগর বিএনপি’র সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র মারুফুল ইসলাম মারুফ, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নূরুন্নবীর মত সিনিয়র নেতাদের।

এছাড়া কেশবপুরে আবুল হোসেন আজাদ, আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, অমলেন্দু দাস অপুকে ত্রাণ তৎপরতায় তেমন দেখা যায়নি।

তবে দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন খুলনা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এই ত্রাণ তৎপরতা চালিয়েছেন।

এছাড়া নিজ এলাকা শার্শায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক মহসীন কবির সাড়ে ছয় হাজার পরিবারকে ত্রাণ সরবরাহ করেছেন।

চৌগাছা-ঝিকরগাছায় জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এতদিন না থাকলেও গত সোমবার ঝিকরগাছা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাবেরা নাজমুল মুন্নি কিছু মানুষের খাবার সরবরাহ করেছেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, বাড়ির বাইরে বের হচ্ছি না। সামর্থ্য না থাকার কারণে কাউকে সহযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রথমদিকে দু-একজনকে সহজতা করেছিলাম। সামনে রমজান মাসে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের বলে দেয়া আছে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী আশেপাশের গরিব মানুষদর সহযোগিতা করবে।

স্বাআলো/এসএ