মশার উৎপাতে করোনার সাথে ডেঙ্গু আতঙ্কে খুলনাবাসী

খুলনা ব্যুরো : মহানগরী খুলনায় মশার উৎপাত বেড়েছে। আর এতে করোনার সাথে ডেঙ্গু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে মানুষের মাঝে।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। যদিও খুলনা সিটি কর্পোরেশন দাবি করছে আধুনিক ড্রেনেজ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় অনেক ড্রেন ও খালের মুখ বন্ধ রয়েছে। আর এতে মশা বাড়ছে। মশার ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরী ড্রেন, অসংখ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোটছোট জলাধারে কোটি কোটি মশার লার্ভা তৈরি হচ্ছে। খাল ও জলাধার ছাড়াও শহরের বস্তি এলাকা, ময়লার ভাগাড়, ঝোপঝাড়, রাস্তার পাশে থাকা ছোট ছোট টায়ারের দোকান, ঢালাই মেশিন, পরিত্যক্ত পলিথিন, ককশিট, বিভিন্ন মার্কেটের পরিত্যক্ত ছাদ, দুই বাড়ির মাঝের ফাঁকা স্থানে বৃষ্টির পানি জমে সেখানে মশা জন্ম নিচ্ছে।

মশক নিধরে কেসিসির পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে না বলে অভিযোগ নগরবাসীর। প্রতিবছর এ খাতে করপোরেশনের মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তারপরও মশার অত্যাচার থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না নগরবাসী। তবে সিটি কর্পোরেশন বলছে মশা নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছেন তারা।

কর্পোরেশনের কঞ্জারভেন্সি শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে মশক নিধনে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ রেখেছে সিটি কর্পোরেশন। বরাদ্দকৃত এ টাকার মধ্যে সংস্থাটি ইতোমধ্যে ২ কোটি টাকা খরচ করে ১০টি ফগার ও ৩০টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, লার্ভিসাইড,  এডাল্ট্রিসাইড ও ওষুধ কিনেছে। যা ব্যবহার করে দুটি ধাপে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রধান কঞ্জারভেন্সি অফিসার আবদুল আজিজ বলেন, গত ৭ বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকার ব্যয় হয়েছে মশা নিধনে, ওষুধেরও সংকট নেই বর্তমানে। মশা নিধনে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনাও করছেন তারা।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তাই নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলার বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।  

স্বাআলো/কে