করোনায় ছুটি : বাড়ি বসে কেবল বেতন পাওয়ার অভ্যাস বাড়ছে

 

মকবুল হোসেন : লকডাউন ও হোম কোয়ারেন্টাইন শতভাগ কার্যকরী না হলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। ঘনঘন সরকারি ছুটি বাড়িয়ে কোন লাভ হবেনা। এতে সরকারি কর্মচারীদের অফিস না করে বাড়িতে বসেই বেতন পাওয়ার অভ্যাস হয়ে যাবে। অথচ তারা কয়জন লকডাউনে আছেন? যে উদ্দেশ্যে সরকারি ছুটি, অফিস আদালত,কলকারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সে উদ্দেশ্য কোন দিন সফল হবেনা। যতই সরকার বলুক হোম কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউন পালন করতে তা মেনে উদ্দেশ্যহীন ভাবে চলাফেরা করোনার ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। কেউ মানছেন না লকডাউউন ও হোম কোয়ারেন্টাইন আর সামাজিক দুরত্ব। সরকারি বিধিনিষেধ কেউ তোয়াক্কা করছেন না।

আসলে আমরা বেহায়া। শতবার উপরোধ-অনুরোধ করা সত্ত্বেও আমরা কারোর ধার ধারিনে। কোন কথায় কর্ণপাত করিনে। যতদিন লকডাউন,হোম কোয়ারেন্টাইন ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাচল নিশ্চিত করা না যাবে ততদিন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব নয়। যতদিন এভাবে চলবে ততদিন ধরে করোনার সংক্রামণ বৃদ্ধি পাবেই। ইউরোপের মত বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ করোনার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করবে। মৃত্যুর হাত থেকে কেউ রেহাই পাবে না।

আর দেরি না করে হোম কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউন শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে সবচেয়ে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। তাহলে সম্ভব করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা ও মহামারীর হাত থেকে দেশ এবং দেশের মানুষকে বাঁচানো।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঠিকই বলেছিলেন, ‘সাত কোটি সন্তানকে হে মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি’।

স্বাআলো/কে