মানবতার সেবকদের মানবিক হতে হবে

মকবুল হোসেন : দেশে এখন অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হাসপাতালে নিলেই তাকে নানা অজুহাতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানো হয়। বাড়ি বাড়ি ঘরে ঘরে এখন এ চিত্র। অথচ অপারেশন না করেও কিন্তু স্বাভাবিকভাবে প্রসব করানো যায়। এক তথ্যে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে হোম কোয়ারেন্টাইন ও লকডাউনে অবস্থায় ১ লাখ ৭৫ হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারীর স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব হয়েছে। অর্থাৎ  ডেলিভারির ৯৬ শতাংশ নরমালে সন্তান হয়েছে।এ ক্ষেত্রে অস্তওপচারের প্রয়োজন হয়নি।

এই পরিসংখ্যানে শতভাগ প্রমাণিত হয়েছে যে হাসপাতাল/ক্লিনিকে গাইনি ডাক্তাররা গর্ভবতী মায়েদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে সিজার করিয়ে থাকেন। আসলে ২-৪ জন বাদে কোন মায়েরই সিজার করার প্রয়োজন পড়েনা। এক শ্রেণির  ডাক্তার তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে গর্ভবতী মায়েদের বাধ্য করান সিজার করতে।

ডাক্তারী মতে একজন সিজার করা মা সারাজীবন অসুস্থতা নিয়ে বেঁচে থাকেন। কোন ভারী কাজ করতে পারেন না। কোন ভারী বস্তু তুলতে পারেন না। একজন সিজার করা মা কখনো সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন না।

ডাক্তাররা মানবতার সেবক বিশেষণে বিশেষায়িত। এটা নিঃসেন্দহে একটি গর্বের বিষয। অন্য কোন পেশার মানুষ কিন্তু এমন একটি সম্মান পাননি। কিন্তু প্রশ্ন জাগে এক শ্রেণির অর্থলোভী ডাক্তাররা তাদের নিজেদের সম্মান নিজেরা পদদলিত করছেন। নিজেদের সম্মান সমুন্নত রাখতে কবে তারা মানবিক হবেন? – লেখক, প্রবীণ সাংবাদিক।

স্বাআলো/কে