চৌগাছায় ফিতরা সর্বোচ্চ এক হাজার সর্বনিম্ন ৫০ টাকা

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় সর্বোচ্চ ফিতরা এক হাজার ও সর্বনিম্ন ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার ইমাম ও উলামাগণের সিদ্ধান্তনুসারে এই ফিতরার পরিমান নির্ধারণ করা হয়েছে বলে ইমাম ও উলামাদের স্বাক্ষরিত পত্রে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার যাকাত ও ফিতরা সম্পর্কে এক আলোচনা সভা চৌগাছা কামিল মাদরাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ও উপজেলা পরিষদ শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল লতিফ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌগাছা কামিল মাদরাসা মসজিদের খতিব মাওলানা আলী আকবর, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল গফুর, চৌগাছা মহিলা কওমি মাদরাসার মুহতামিম ও পৌর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, চৌগাছা কওমি মাদরাসার মুহতামিম ও কওমি মাদরাসা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সাইফুল ইসলাম বাকপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুর রহমান, আম্রকাননপাড়া জামে মসজিদের খতিব হাফেজ জামাল উদ্দিন।

সভায় মালিকে নেছাব নিয়ে আলোচনা হয় বর্তমান বাজার দরে রূপা সাড়ে ৫২ তোলার মূল্য ৯০০ টাকা তোলা হিসেবে ৪৭ হাজার ২৫০ টাকা এবং স্বর্ণ সাড়ে ৭ তোলা ৫৬ হাজার টাকা তোলা হিসেবে চার লক্ষ ২০ হাজার টাকা। আলোচনান্তে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যাদের নিকট প্রয়োজনের অতিরিক্ত ৪৭ হাজার টাকা থাকবে তারা নেছাবের মালিক। অর্থাৎ তাদের যাকাত ও ফিতরা আদায় করতে হবে।

সদাকাতুল ফিতর অর্থাৎ ফিতরার পরিমান সম্পর্কে আলোচনা হয় গম/আটা অর্ধ সা’ অর্থাৎ ১৬৫০ গ্রাম। বাজার দর অনুযায়ী ৩০ টাকা কেজি দরে যার মূল্য ৪৯ দশমিক ৫০ টাকা। খেজুর এক সা’ অর্থাৎ ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম। বাজার দর অনুযায়ী ২০০ টাকা কেজি দরে যার মূল্য ৬৬০ টাকা। এবং কিচমিচ এক সা’ অর্থাৎ ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম। বাজার দর অনুযায়ী ৩০০ টাকা কেজি দরে যার মূল্য ৯৯০ টাকা।

আলোচনান্তে ইমাম ও উলামাগণের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় চৌগাছা উপজেলার ২০২০ সালের ফিতরা সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা।

প্রসঙ্গত নিছাব পরিমান সম্পদ বা অর্থ কারো কাছে এক বছর থাকলে তার উপর যাকাত দেয়া অবশ্য কর্তব্য এবং নিছাব পরিমান অর্থ ঈদ উল ফিতরের দিন পর্যন্ত কারো কাছে থাকলে তাকে তার পরিবারের সকলের পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতরা আদায় করতে হয়।

স্বাআলো/ডিএম