পুকুরে ভেসে উঠলো গৃহবধূর লাশ, স্বামী পলাতক

জেলা প্রতিনিধি, নাটোর: নাটোরের লালপুর উপজেলার মোহরকয়া গ্রামে পুকুর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী পলাতক থাকায় সন্দেহের পুলিশ তাকেই সন্দেহ করছে।

স্থানীয়দের দাবি, স্বামীর পরকীয়া নিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল।

লালপুর থানার ওসি সেলিম রেজা শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত স্মৃতি (৩০) মোহরকয়া পিয়াদাপাড়া গ্রামের তসলু আলীর মেয়ে ও জাব্বারের স্ত্রী।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি সেলিম রেজা জানান, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের এলাহী বক্সের পুকুরে একটি মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয়রা ওই মরদেহটি একই গ্রামের জাব্বারের স্ত্রী স্মৃতির (৩০) বলে নিশ্চিত করে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়া হয়েছে। তবে নিহতের স্বামী পলাতক থাকায় তাকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। নিহতের স্বামীকে আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওসি সেলিম রেজা আরো বলেন, নিহতের চার বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি স্বামী পরকীয়া করছেন এমন সন্দেহে দীর্ঘদিন থেকেই ওই দম্পতির মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই পরিপেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতের কোনো সময়ে ওই গৃহবধূকে হত্যা করে লাশটি পুকুরে ফেলে দেয়া হতে পারে। এর বাইরেও অনেক বিষয় শোনা যাচ্ছে। সকল বিষয় মাথায় রেখেই রহস্য জানার চেষ্টা চলছে।

স্বাআলো/এসএ