যবিপ্রবির কর্মকর্তা লাঞ্ছিত, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর: অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্যের সাবেক একান্ত সচিব ও বর্তমান কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসানকে লাঞ্ছিত করেছেন বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার দুপুরে কামরুল হাসানের নিজ কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে ছাত্রলীগ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় আরো একবার লাঞ্ছিত হন তিনি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কর্মচারী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আরশাদ আলী জানান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনেকের পদন্নতি বিভিন্ন কারণে বিলম্ব হয়েছে। রবিবার তারা ভিসির কাছে আবেদন করেন। তারই প্রেক্ষিতে আজ সোমবার ভিসি কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির নেতাদের সাথে বৈঠক করেন।  বৈঠকের পরবর্তী সময়ে পদন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তা কর্মচারীরা মিটিংয়ের ফলাফল কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসানের কাছে জানতে তার কক্ষে যান। এসময় তিনি  উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুয়োরেরবাচ্চা বলে গালি দেন।  তখন সেখানে দুই পক্ষে মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। কর্মকর্তা কামরুল হাসান যাদের উদ্দেশ্যে এ অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন তারা বিচার চেয়ে রেজিষ্ট্রারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ইতিপূর্বে উপাচার্যের সাবেক পিএস কামরুল হাসান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রেজিষ্ট্রারকে নিয়ে কুমন্তব্য করেন। এছাড়াও সেকশন অফিসার শাহিন হোসেনকেও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি দেন। এসব ঘটনার বিচার চেয়ে স্মারকলিপি ও চিঠি দেয়া হলে আজও বিচার হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামরুল হাসান জানান, ভিসির সাথে কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নেতাদের বৈঠক শেষে তিনি নিজ কক্ষে কর্মকর্তা সমিতির কয়েকজনকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন। এসময় বদিউজ্জামান বাদলসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী তার রুমে প্রবেশ করে তাকে বিভিন্ন হুমকি দেন।

সাঁজিয়ালি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই কামরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেকশন অফিসার ও কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসানের কক্ষে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়েছে। কর্মচারী বদিউজ্জামান বাদলের নেতৃত্বে চড়াও হয়।  প্রাথমিকভাবে হামলা, ভাংচুরের আলামত পাইনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইপক্ষকে ডেকেছি। এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি।

স্বাআলো//ডিএম