দর্শক কাঁদালো ‘দিল বেচারা’

বিনোদন ডেস্ক: সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষ সিনেমা ‘দিল বেচারা’ মুক্তি পেয়েছে ২৪ জুলাই সন্ধ্যায়। সকল স্তরে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে সিনেমাটি। সুশান্তের এমন অভিনয় দর্শকদের একইসঙ্গে মুগ্ধ করেছে, করেছে ব্যথিতও।

সুশান্ত ও সঞ্জনা সঙ্ঘী অভিনীতি ‘দিল বেচারা’ স্ট্রিমিং চলছে ডিজনি+ হটস্টারে। ‘ছিছোরে’র মতো আবারও দর্শক-সমালোকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে সুশান্তের অভিনয়। মুকেশ ছাবরা পরিচালিত সিনেমাটি দেখে তারকা অভিনেতা, চিত্রসমালোক ও সুশান্তভক্তদের উচ্ছ্বাস ও কষ্টমাখা আনন্দ যেন বাঁধ ভেঙেছে।

‘দিল বেচারা’ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন প্লেব্যাক গায়িকা নেহা কক্কর। এই সিনেমার জন্য সুশান্তকে সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া উচিত বলে মতপ্রকাশ করেন তিনি। তিনি ইনস্টাগ্রামে লেখেন, সর্বকালের সবচেয়ে সুন্দর সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘দিল বেচারা’ অন্যতম। এবছর সেরা অভিনেতা হিসেবে সুশান্তকে জাতীয় পুরস্কার দেওয়া উচিত, আর সেরা পরিচালকের জন্য মুকেশ ছাবরাকে। আর সঞ্জনা সঙ্ঘীকেও। অনবদ্য সুশান্ত আর চমৎকার সিনেমাটির জন্য আমরা এতটুকু তো করতে পারি।

‘দিল বেচারা’ দেখে অভিনেত্রী ভূমি পেড়নেকর লেখেন, আবেগে ভরপুর সিনেমাটি দেখে আমি মুগ্ধ। কান্না থামাতে পারছি না। কী চমৎকার অভিনয়! সুশান্ত কত নির্বিঘ্নে ও সাবলীল অভিনয় করেছেন। এরকম বিস্ময়করভাবে বেদনাদায়ক ও সুন্দর অনুভূতি আগে কখনও পাইনি। তোমার সকল ভক্ত ও প্রিয়জনদের তুমি কি দারুণ উপহার দিলে। মুকেশ ছাবরা দারুণ করেছেন। সঞ্জনা সঙ্ঘীকে সিনেমায় স্বাগতম। কিজি, ম্যানি ও তাদের পৃথিবীটা কত মনোরম! অত্যন্ত মিষ্টি আর ভালোবাসায় ভরপুর একটা সিনেমা।

তবে অভিনেতা অমিত সাধ এখনও সিনেমাটি দেখার সাহস করে উঠতে পারেননি। এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তর তিনি বলেন, ‘আমি এখনও দেখিনি। কিন্তু দেখব। সাহস জোগার করছি। আমি শিগগিরই দেখব। আমাকে দেখতেই হবে। ’ এর আগে তিনি সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, কেউ যেন সিনেমাটি রেটিং না করেন। ‘এই সপ্তাহান্তে আমরা কি রেটিং না করে থাকতে পারি না! দর্শক ও সমালোচক! এবার শুধু ভালোবাসা আর স্মৃতিই থাকুক, অভিনয় জাদুর মূল্যায়ন থাকুক!’ টুইট করেন তিনি।

সংগীতশিল্পী আরমান মালিক জানান, সিনেমাটি তাকে স্তম্ভিত করে ফেলেছে। সিনেমাটি দেখা বেশ কঠিন ব্যাপার বলে মনে করেন তিনি। তাই দর্শকদের তিনি অনুরোধ জানান, সবাই যেন ব্যক্তিগত সময়ে, সুবিধামতো সিনেমাটি দেখেন। তিনি বলেন, সিনেমাটি আমাকে অসাড় করে দিয়েছে। আপনাদের প্রিয়জনদের দয়া করে একটু জড়িয়ে ধরবেন। বলুন, আপনি তাদের ভালোবাসেন। তাদের সঙ্গে কথা বলুন, হাসুন, কাঁদুন। আপনি জানেন না, তাদের সঙ্গে এ সময়টুকু আপনি আবার কখন পাবেন। মুহূর্তগুলোকে বাঁচিয়ে রাখুন। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, ‘দিল বেচারা’ সিনেমাটি আপনাদের নিজস্ব গতিতে ও নিজস্ব সময়ে দেখবেন। এটা দেখা মোটেও খুব সহজ কাজ নয়। এটা আপনাকে বারবার শ্বাসরুদ্ধ করে দেবে।

স্বাআলো/জি