বালুর ব্যাগ দিয়ে শিমুলিয়া ঘাট রক্ষার চেষ্টা

মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ফেরিঘাট পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে ভাঙন শুরু হয়। দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার এই ঘাট।

পদ্মা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য জিও ব্যাগ (বালুর ব্যাগ) নদীর পাড়ে ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বুধবার সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটে শ্রমিকদের বালুর ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রোধের চেষ্টা করতে দেখা যায়। তবে, তার আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ৩ নম্বর ঘাটের সামনের রাস্তা, বিআইডব্লিউটিএ’র একটি আধা পাকা স্থাপনা ও একটি মসজিদ।

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘাট রক্ষার জন্য কাজ শুরু করা হয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলে যতটা সম্ভব নদী ভাঙন রোধ করা হচ্ছে।

এদিকে, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে সবগুলো ফেরি চলতে পারছে না। তাছাড়া, ফেরি পারাপারে সময়ও বেশি লাগছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, আজ ৯ টি ফেরি চলাচল করছে। বাকী ফেরিগুলো চালানো সম্ভব হচ্ছেনা।

এদিকে, নদী পারাপারের জন্য ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাকসহ যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিলাল উদ্দিন জানান, এ মুহূর্তে ঘাটে পারাপারের জন্য একশ’র মত গাড়ি আছে। ৩ নম্বর ঘাট বন্ধ থাকায় ১, ২ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি চলছে।

স্বাআলো/জি