রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক খানাখন্দে ভরা

রংপুর : রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক বেহাল অবস্থা ধারণ করেছে। অসংখ্য বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। বিশেষ করে রংপুর নগরীর প্রবশেদ্বার মডার্ন মোড় থেকে পার্কের মোড়, সাতমাথা, নব্দিগঞ্জবাজার, তালুকউপাশু, মীরবাগ, জুম্মারপাড় ও ভেলুপাড়া, কাউনিয়া রেলগেট এলাকায় মহাসড়কে বড় বড় গর্তে হওয়ায় দুর্ঘটনার আতঙ্কে ভুগছেন চালক ও যাত্রীরা।

সড়ক জনপথ বিভাগ রংপুর কার্যালয় সূত্র জানায়, রংপুর-কুড়িগ্রাম  জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ ৪৬ কিলোমিটার। এর মধ্যে লালমনিরহাটে ১৩ কিমি, কুড়িগ্রামে ১২ কিমি এবং রংপুরে ২১ কিলোমিটার। রংপুরের ২১ কিলো মিটারের মধ্যে ১৫ দশমিক ৬ কিমি সড়কে অসংখ্য বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টিসহ সড়কের দু’ধারের একাধিক স্থানে দেবে গেছে। যা সংস্কার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, রংপুর নগরীর প্রবশেদ্বার মডার্ন মোড় থেকে পার্কের মোড়, চকবাজার, কামাড়ের মোড়, এরশাদ নগর, তাজহাট, সাতমাথা, কলাবাড়ি,  নব্দিগঞ্জবাজার, তালুকউপাশু, বুড়ালব্রিজ, বিজলঘন্টি, মীরবাগ, জুম্মারপাড় ও ভেলুপাড়া, জুম্মারপাড়, ভেলুপাড়া, মীরবাগবাজার, হলদীবাড়ী রেলগেট, কাউনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তেও সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও সড়কের দু’ধারের বেশকিছু অংশ দেবে গেছে।

কাউনিয়ার মীরবাগ বাজারের ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান জানান, কয়েকদিন আগে মীরবাগ স্ট্যান্ডের কাছে স্পিড ব্রেকারের পাশে গর্তে পড়ে ঢাকাগামী মালবোঝাই ট্রাকের পিছনের চাকার পাতি ভেঙ্গে আটকে পড়ে।

নব্দিগঞ্জ বাজারের কালু মিয়া ও কুর্শার আলম মিয়া বলেন, প্রায়দিনেই গর্তে বাস ও ট্রাকের এক্সেল ভেঙে আটকে পড়ছে। বিশেষ করে দ্রুতগতিতে আসা মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলার  গর্তে উল্টে গিয়ে চালক ও আরোহীরা আহত হন।

সড়ক জনপথ বিভাগ রংপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম শফিকুজ্জামান জানান, জাতীয় মহাসড়ক সর্বোচ্চ ২২ টন লোডিং ক্যাপাসিটি  করে নির্মাণ করা হয়েছিল। ৫০ বছর আগে নির্মিত এই মহাসড়কের বেজ ড্যামেজ হওয়ায় এবং অভারলোড মালবোঝাই ট্রাক চলাচলের ফলে সড়কটি সংস্কারের পরও খানাখন্দের সৃষ্টি হচ্ছে।

স্বাআলো/কে