ঘোষণা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি কোরবানির বর্জ্যমুক্ত

ঢাকা: কথা ও কাজের সাথে মিল রেখে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। মেয়রের ঘোষণার পর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে বলে বলছেন সংশ্লিস্টরা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান বলেছেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারিত হয়েছে। ডিএনসিসির নিজস্ব দুই হাজার ৬৬৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনাসহ সর্বমোট ১১ হাজার ৫০৮ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিরলস পরিশ্রম করে ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করেছেন।

রাজধানীজুড়ে ছিটানো হয়েছে, ব্লিচিং পাউডার। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দাবি এখন আর কোনো কোরবানির বর্জ্য নেই, আছে শুধু গৃহস্থলীর ময়লা। সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলররাও তাদের নিজেদের উদ্যোগে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।

এম সাইদুর রহমান বলেন, ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও পিডব্লিওসিএসপি কর্মীরা পশু জবাইয়ের স্থান এবং বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে এসটিএস ও কন্টেইনারে জমা করে প্রতিটি ওয়ার্ডকে বর্জ্যমুক্ত করেছেন। ঢাকা উত্তরে ২৫৬টি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সিটি কর্পোরেশন থেকে বিভিন্ন সুবিধাদি বিশেষ করে কোরবানির মাংস বাসায় পৌঁছে দেয়ার কারণে আগের তুলনায় অনেকে উৎসাহিত হয়ে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিয়েছেন। তবে আগামী বছর প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী মেয়র গাবতলীতে একটি অত্যাধুনিক স্লটার হাউজ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাদের নিজ নিজ ওয়ার্ড বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করেন।

স্বাআলো/ডিএম