শিশুকে যৌন নির্যাতন, সালিশে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী ৫ বছরের এক শিশু মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে শিশুটির ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে ঘটনা ধরা পড়ে এবং স্বভাব লম্পট ইয়াকুব আলী (৬৫) পালিয়ে যায়।

স্থানীয়ভাবে বিষয়টি গোপঁন রেখে এলাকার প্রভাবশালীরা এক কথিত সালিশ করে এক লাখ টাকা জরিমানা করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে এ ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন ভিকটিম শিশুটির ভ্যান চালক পিতা।

স্থানীয়রা জানায়, কচুয়া উপজেলার টেংরাখালি গ্রামের ইয়াকুব আলী হাজরা গত সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী ওই শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় শিশুটি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে এবং ঘটনা জানাজানি হয়।

ইয়াকুব আলীর আত্মীয় স্বজনরা প্রভাবশালি হওয়ায় ঘটনা ধামাচাপা দিতে গোপনে একটি সালিশ বৈঠক করে শিশুটির পিতাকে এক লাখ টাকা দেয়ার সিদ্বান্ত হয়। আর টাকা পরিশোধের দিন তারিখ হয় আগামী ১০ আগষ্ট। যা নিয়ে এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার রাতে কচুয়া থানায় মামলা হয়।

কচুয়া থানার ওসি শফিকুর রহমান জানান, ইয়াকুব আলীকে আসামিকরে ভিকটিম মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। আমারা আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

স্বাআলো/এসএ