বাংলাদেশের পথে চীনের করোনা ভ্যাকসিন

8

চীনের করোনা টিকা সিনোভ্যাক বাংলাদেশের পথে রয়েছে। আইসিডিডিআরবির কর্মকর্তারা আশা করছেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে এসে পৌঁছাবে। এই সংস্থাটি ঢাকায় সিনোভ্যাকের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল পরিচালনা করবে। এজন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কর্মী নিয়োগ এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এ মাসের শেষের দিকে ট্রায়াল শুরু হওয়ার কথা। এজন্য সরকারি ৭ টি হাসপাতালে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। ৪ হাজার ২০০ জন ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে এই টিকার ট্রায়াল চালানো হবে। চীনের তরফে ইতোমধ্যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য নভেম্বরের মধ্যেই তাদের টিকা প্রস্তুত হয়ে যাবে। চারটি টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্যোগ আসবে, দুর্যোগ যাবে। দুর্যোগের জায়গাই বাংলাদেশ। এগুলো মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, সময়মত পদক্ষেপ নেয়ার কারণে কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। যদিও অনেকে শুধু সমালোচনা করেন। তাদের কাজই হচ্ছে সমালোচনা করা। অথচ তারা জানেনই না, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকে মারা গেছেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে এখনও কোন সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যে জাতীয় শিক্ষা একাডেমী ৩৯ দিনের জন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অক্টোবর বাদ দিয়ে যেহেতু নভেম্বরে পাঠ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে সেজন্য সহজে ধারণা করা যায়, সহসাই খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনা সংক্রান্ত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি এই মুহূর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার পক্ষে মত দিয়েছে।

ওদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন। সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৪১২ জন।

স্বাআলো/এসএ