জাতিসংঘের ১৭ তরুণ নেতার তালিকায় বাংলাদেশের জাহিন

17

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজি নিয়ে কাজ করেন এমন ১৭ তরুণ নেতা নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ। এদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের ২২ বছরের তরুণ জাহিন রাজিন।

প্রতি দুই বছর পর পর এভাবে বিশ্বের মেধাবী তরুণদের স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের জন্য বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বীকৃত প্ল্যাটফর্ম এটি।

নির্বাচিত ১৭ জনের মধ্যে বাংলাদেশের জাহিন ছাড়াও নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ব্রাজিল, ভারত, পাকিস্তান, বুলগেরিয়া, কলম্বিয়া, মিশর, আয়ারল্যান্ড, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া, পেরু, সেনেগাল ও উগান্ডার তরুণরা।

জাতিসংঘের মহাসচিবের যুব বিষয়ক দূত জয়থমা বিক্রমণায়কে পিটিআইকে এই তরুণদের নিয়ে বলেন, এসডিজির জন্য ২০২০ যুব নেতৃত্ব তরুণরা কীভাবে সকলের জন্য আরো টেকসই এবং ভবিষ্যতের গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছে তার একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ। করোনার এই সময়ে বিশ্বজুড়ে তরুণরা আরো উন্নতি করতে এবং এসডিজি অর্জনের জন্য উদ্ভাবনী সমাধানগুলো সন্ধানের ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং নেতৃত্ব প্রদর্শন করে চলেছে।

মাত্র ২২ বছর বয়সে বাংলাদেশের জাহিন বেশ কয়েকটি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পানি নিরাপত্তা ও উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ’ও রেজ্যুলেশন প্রজেক্টের সহযোগী হিসেবেও কাজ করছেন।

জানা গেছে, জাহিনের প্রতিষ্ঠিত ‘কোয়ান্টাম পলিকেমিক্স’ প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে নন-টক্সিক, অর্গানিক পলিহাইড্রক্সিয়ালকোনোট (পিএইচএ) ভিত্তিক বায়োপলিমার উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। এটি পুরোপুরি পরিবর্তনযোগ্য ও পরিবেশে মিলিয়ে যায়। প্রকল্পটি বর্তমানে পাট কারখানার ও মিলগুলো থেকে ফেলে দেওয়া জুট ডাস্ট দিয়ে বায়োরিঅ্যাক্টরের মাধ্যমে ন্যানো-ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে সিনথেটিক বায়োপ্লাস্টিক তৈরি করছে। এই প্রযুক্তিতে তৈরি পলিমার পণ্যগুলো মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে তরল পদার্থে এবং এক মাসের মধ্যে মাটিতে মিশে যায়।

স্বাআলো/এসএ