কলকাতার অধিনায়ক বদলের আসল কারণ জানালেন গৌতম

9

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই চলছিল আলোচনা। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান থাকতে দিনেশ কার্তিককে অধিনায়কত্ব দেয়ায় বেশ সমালোচনা শুনতে হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। তবে নিয়মিত অধিনায়ক কার্তিকেই ভরসা রেখেছিল কেকেআর। কিন্তু কার্তিক নিজেই যেনো নিজের ওপর আর ভরসা রাখতে পারলেন না।

শুক্রবার মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে মাঠে নামার ঘণ্টাছয়েক আগে নিজ থেকে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন দিনেশ কার্তিক। তার জায়গায় শুক্রবারের ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন ইয়ন মরগ্যান। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে তিনিই এ দায়িত্ব পালন করবেন। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আইপিএলে অধিনায়কত্বের অভিষেক হয়েছে মরগ্যানের।

কেকেআরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কার্তিক জানিয়েছেন, মূলত ব্যাটিংয়ের দিকে নজর দেয়ার লক্ষ্যেই অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন তিনি। কেননা এবারের আসরে একটি ফিফটি হাঁকালে এখনো পর্যন্ত প্রত্যাশামাফিক ব্যাটিং করতে পারছেন না তিনি। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ৮ ম্যাচে মাত্র ১১২ রান করতে পেরেছেন কার্তিক।

তবে কলকাতার সাবেক এবং সফলতম অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের মতে, অধিনায়ক বদলের আসল কারণ ভিন্ন। এছাড়া তার বদ্ধমূল ধারণা, অধিনায়ক বদল করলেও কলকাতার বর্তমান অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। কেননা ক্রিকেটে সম্পর্কের জোরের কোনো জায়গা নেই, এখানে পারফরম্যান্সই মুখ্য।

স্টার স্পোর্টসে কলকাতাকে দুইবার চ্যাম্পিয়ন করা গম্ভীর বলেছেন, ‘ক্রিকেট কোনো সম্পর্কভিত্তিক খেলা নয়, এখানে পারফরম্যান্সই শেষ কথা। সত্যি বলতে, আমার মনে হয় না, এ বিষয়টিতে মরগ্যান কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে অধিনায়কত্ব করলে হয়তো অনেক কিছুই বলদাতে পারতো সে। মাঝপথে কেউ কোনোকিছু বদলে ফেলতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি অবাক হয়েছি। সে গত দুই-আড়াই বছর ধরে কেকেআরকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কোনো মৌসুমের মাঝপথে এসে আপনি এমনটা করতে পারবেন না। কলকাতার অবস্থা এতোটা খারাপ না যে, মাঝপথে অধিনায়ক বদলানো লাগবে। এজন্যই বেশ বিস্মিত আমি। বদলাতে চাইলে শুরুতেই এটা করা উচিত ছিল।’

এসময় অধিনায়ক বদলের আসর কারণ হিসেবে গম্ভীর জানান, ‘আমার কথা হলো, কেউ যখন নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতে চায়, এটা অবশ্যই ভালো বিষয়। কিন্তু আসল সত্য হলো, এমতাবস্থায় টিম ম্যানেজম্যান্টের পক্ষ থেকে বিকল্পের ব্যাপারেও বারবার কথা শুনতে হয়। এটা সত্যিই দূর্ভাগ্যজনক।’

স্বাআলো/এস