আর কোনদিন লেখা হবেনা পড়া হবেনা

আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ ও চরম সত্য আমি আর কোনদিন চেখে দেখতে পারবোনা। কয়েকদিন ধরে খুব কষ্ট করে কিছু লেখার চেষ্টা করেছি। আর পারছিনা। আর কোনদিন কোনকিছুই লিখতে পারবোনা। দেখতেও পারবোনা। দূরে ও কাছে যা কিছু দেখছি সবকিছু ঘোলা। এই লেখাটাও খুব কষ্ট করে পোস্ট করলাম। হয়তো মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাকে এই অন্ধত্ব বয়ে বেড়াতে হবে। সবাই আমাকে ক্ষমা করবেন।

১৯৭৯/৮০ সালে আমি সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী মস্কো চোখের চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলাম। রাশিয়ান চক্ষু বিশেষজ্ঞ বলেছিলেন, লাখে ১ জনের এই রাজকীয় রোগ হয়। এর কোন চিকিৎসা নেই। এই ভাবে যে কয়দিন চলে। সব নার্ভ শুকিয়ে যাচ্ছে। একদিন অন্ধ হয়ে যেতে হবে। মনকে বুঝ দিচ্ছি, ৪১ বছর তো চললো। আর কত? দুঃখ-কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে। করার আর কিইবা আছে। দোয়া করবেন। সবাই ভালো থাকবেন।

(৩ নভেম্বর প্রবীণ সাংবাদিক ও যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সমপাদক স্বাধীন আলো’র লেখক মকবুল হোসেন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান। আজ বুধবার সকালে তার সন্তান ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান মকবুল হোসেন চোখে কিছুই দেখতে পারছেন না। মকবুল হোসেন ফোনে জানিয়েছেন, তিনি আজ বুধবার চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকা যাচ্ছেন)।

স্বাআলো/আরবিএ