জেল-জরিমানার ভয়ে খুলনায় মাস্ক পরার প্রবণতা বেড়েছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রথম থেকেই সরকারিভাবে সর্বস্তরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হলেও খুলনায় এতদিন তেমনটা লক্ষ্য করা যায়নি। জেল-জরিমানার ভয়ে বর্তমানে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক পরার প্রবণতা বেড়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে খুলনা জেলা প্রশাসক।

মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযানে নামে জেলা প্রশাসন।

মাস্ক ব্যবহার না করায় বিকেল ৪টা পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়। ৪২ জন ১৮ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইউসুফ আলীর তত্ত্বাবধানে মহানগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল ও দেবাশীষ বসাক। এছাড়া ৯টি উপজেলায়ও দিনভর চলে অভিযান।

অন্যদিকে, প্রথমদিন সোমবার দিনভর আটক ৩৩ জনকে রাত ১০টার দিকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক বলেন, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ প্রতিহত করতে মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দাকোপ ও বটিয়াঘাটায় মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রথম থেকেই সরকারিভাবে সর্বস্তরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হলেও খুলনায় এতদিন তেমনটা লক্ষ্য করা যায়নি। জেল জরিমানার ভয়ে বর্তমানে সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক পরার প্রবণতা বেড়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনলাইন জুম প্রযুক্তিতে রবিবার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির নভেম্বরের সভা বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান নিশ্চিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

স্বাআলো/এসএ