দুই নেতার সু-সম্পর্ক, ইতিবাচক ফল পাবে বাংলাদেশ

দুই নেতার সম্পর্ক পুরাতন হওয়ায় বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে।

২০০৮ থেকে ২০১৭ সাল-মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার রানিংমেট ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সে সময়টিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সম্পর্কে ওবামা প্রশাসনের ছিল ইতিবাচক ধারণা।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। দুই নেতার সম্পর্কও পুরানো। ফলে বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে।

২০১৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওই সময় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শান্তিরক্ষা সম্মেলনে সহ- সভাপতিত্ব করেন। ওই সম্মেলনে দুই নেতা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের বাইরেও দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দুই নেতার মধ্যে পুরানো সম্পর্ক থাকায় এখন তা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আরো বেশি আন্তরিক হবে দুই দেশের সরকার।

শেখ হাসিনার শাসনামলে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা জঙ্গিবাদ বিরোধী অবস্থান ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আরো কয়েকটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়।

জো বাইডেনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে কারিগরি সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ বাংলাদেশের পণ্য সহজে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বিষয়ে বাংলাদেশ মার্কিন সরকারের সহযোগিতা পাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ ছাড়া শেখ হাসিনা ও জো বাইডেন সর্ম্পকের ইতিবাচক প্রভাবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে পাবে বাংলাদেশ এমন প্রত্যাশা আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক বিশ্লেষকদের।

স্বাআলো/এসএ