শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠার চেষ্টায় দিল্লি

রোহিত শর্মার পরীক্ষা নিতে তৈরি কাগিসো রাবাদা। অন্য দিকে শিখর ধওয়নকে শান্ত রাখার চেষ্টা করবেন যশপ্রীত বুমরা। লড়াইটা বুমরা বনাম রাবাদারও।

১৪ ম্যাচে বুমরার উইকেট সংখ্যা ২৭। ২ ম্যাচ বেশি খেলে রাবাদা নিয়েছেন ২৯টি উইকেট। ফাইনালে দুই পেসারের উপরে নির্ভর করে রয়েছে দু’ দল।

প্রথম বলেই দিল্লি শিবিরে আঘাত হানেন ট্রেন্ট বোল্ট। শিখর ধওয়নের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন মার্কাস স্টোইনিস। এ দিন ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই কুইন্টন ডি’ ককের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন স্টোইনিস।শট খেলবেন কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন তিনি।

শেষ মুহূর্তে শট খেলতে গিয়ে স্টোইনিসকে বিদায় নিতে হয়। খাতাও খোলেননি তিনি। শুরুতেই এই উইকেটের খোঁজে ছিল মুম্বই।

শিখর ধওয়ন ও অজিঙ্কে রাহানের উপরে নির্ভরশীল ছিল দিল্লি। দুই তারকা ব্যাটসম্যানের অভিজ্ঞতা অনেক। সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন তাঁরা।

কিন্তু বোল্টের আগুনে বোলিংয়ে রাহানেকেও ফিরতে হল দ্রুত। মাত্র ২ রান করেন রাহান। ১৬ রানে ২ উইকেট যায় দিল্লির। অধিনায়ক শ্রেয়স নেমেই বিপজ্জনক শট খেলেন। সে যাত্রায় বাউন্ডারি পান তিনি। পরের বলে ক্যাচ তুলেছিলেন শ্রেয়স। ভাগ্য সহায় ছিল। তাই বোল্ট ক্যাচ ধরতে পারেননি। শুরুতেই চাপে দিল্লি। ৩ ওভারে দিল্লির রান ২ উইকেটে ২০।

চতুর্থ ওভারে বুমরাকে সরিয়ে রোহিত আক্রমণে আনেন জয়ন্ত যাদবকে। মুম্বই অধিনায়কের এ হেন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছিলেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাওস্কর।

তাঁর যুক্তি, ২ উইকেট হারিয়ে চাপে এখন দিল্লি। বুমরাকে আক্রমণে রেখে দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ধওয়নের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ধৈর্য হারিয়ে এমন হতশ্রী শট খেলবেন, তা কে ভেবেছিলেন। জয়ন্তর বল ভেঙে দিল ধওয়নের (১৫) উইকেট। ৪ ওভারে দিল্লির রান ৩ উইকেটে ২৫।

দিল্লিকে লড়াই করার মতো স্কোর বোর্ডে রান করতে হলে ঋষভ পন্থ ও শ্রেয়সকে ক্রিজে টিকে থাকতে হবে। চাপ কাটানোর জন্য পাল্টা মারের খেলা শুরু করতে হবে। দিল্লির দুই তরুণ ব্যাটসম্যান ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই খেলতে নেমেছেন। পন্থ সহজাত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছেন।

দশম ওভারে ক্রুনাল পাণ্ড্যকে দুটো ছক্কা হাঁকিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। অধিনায়কের (৩৯) সঙ্গে ৭৭ রানের পার্টনারশিপ গড়া হয়ে গিয়েছে পন্থের (৪২)। ১৩ ওভারে দিল্লির রান ৩ উইকেটে ৯৯।

স্বাআলো/এস