আচমকা অসুস্থ পাইলট, প্রশিক্ষণ না নিয়েই প্লেন উড়িয়ে হাসির খোরক তিতলি

ভারতীয় সিরিয়ালের নায়িকারা মনে হয় সবকিছু করতে পারেন। অতীতে তো অনেক কিছু দেখেছেন। এবার এমন অসাধ্যই সাধন করেছে যে দর্শকের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়!

কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই প্রথমবার উড়োজাহাজে ওঠে পাইলটের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাবে ‘তিতলি’ সিরিয়ালের নায়িকাকে। স্টার জলসার ধারাবাহিকটির প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, নেট দুনিয়ায় হাসির খোরাক টিম তিতলি।

টিআরপি তালিকায় এতদিন সেভাবে সাড়া না ফেললেও আপাতত কলকাতার টিভি ইন্ডাস্ট্রিতে টক অব দ্য টাউন ‘তিতলি’। আরিয়ান ভৌমিক ও মধুপ্রিয়া চৌধুরী অভিনীত এই ধারাবাহিকের প্রোমো দেখে মাথায় হাত দর্শকদের।

ছোটবেলার পাইলট হওয়ার স্বপ্ন যখন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় তিতলির, সেই সময়ই স্বামী সানিকে নিয়ে জীবনে প্রথমবার প্লেনে চড়ে। তবে বরের আশ্বাস, হেরে যেও না। ঠিক সুযোগ পাবে নিজেকে প্রমাণ করার। সেই কথা কাজে প্রমাণিত হতে বেশি সময় লাগলো না।

আচমকাই বুকে ব্যথা নিয়ে চালকের সিট ছেড়ে উঠে পড়লেন পাইলট। সহকারী পাইলট অনেকখানি নীরব দর্শকের ভূমিকায়, ককপিটে তখন সানিকে সঙ্গে নিয়েই ঢুকে পড়ল তিতলি। তারপর টপাটপ একের পর বটন টিপে ককপিটের দায়িত্বে সে! তাও বিনা প্রশিক্ষণে। বিমানের বাকি কর্মীরা নীরব দর্শকের ভূমিকায়। তিতলি কি পারবে যাত্রীদের প্রাণ বাঁচাতে? সেই প্রশ্নই ছুঁড়ে দিচ্ছে প্রোমো।

সিরিয়ালের গল্প অনুযায়ী, ছোটবেলায় এক প্লেন ক্র্যাশের আওয়াজে নষ্ট হয়ে যায় তিতলির শ্রবণশক্তি। ছোট থেকেই আকাশে ওড়ার স্বপ্ন নিয়েই বড় হয়েছে সে। তবে পাইলট হওয়ার স্বপ্নে তার মূল বাধা বধিরতা।

বাস্তব জীবনেও শ্রবণশক্তিহীন মানুষ পাইলট হওয়ার সার্টিফিকেট পেতে পারেন, পাঁচ ধরনের উড়োজাহাজ চালানোর ছাড়পত্র পান তারা। তবে প্রশিক্ষণ ছাড়া প্লেন চালানো কারো পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এই প্রোমো ঘিরে ব্যাপক বিদ্রূপের মুখে তিতলি।

কিছুদিন আগে ‘কৃষ্ণকলি’ ধারাবাহিকে মরণাপন্ন রোগীকে বাঁচাতে ডিফিব্রিলেটরের জায়গায় বাথরুমের স্ক্রাবার ব্যবহার করা হয়েছিল। যা নিয়ে কম হাসির খোরাক হয়নি টিম কৃষ্ণকলি। জানা গেছে, ‘তিতলি’ ও ‘কৃষ্ণকলি’ একই প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত।

স্বাআলো/এস