অতীত ভুলে স্বচ্ছতা ও সমন্বিত কাজের প্রতি গুরুত্বারোপ এমপি নাবিলের

যশোর সদর উপজেলাকে স্মার্ট ও মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে স্বচ্ছতার সাথে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ।

আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেয়ার সময় তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন।

কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। অতীতে সদর উপজেলা নিয়ে কাজের চেয়ে কথা হয়েছে বেশি। এখন স্বচ্ছতার সাথে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করে যশোর সদর উপজেলায় স্মার্ট উপজেলায় রূপান্তর করতে হবে। এই কাজে আমার পক্ষ থেকে যে যে সহযোগিতা দরকার, সব ধরনের সহযোগিতা আমি করব।’

এর আগে কাজী নাবিল আহমেদ উপজেলা পরিষদ চত্বরে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের দুইটি বুথ উদ্বোধন করেন। এ সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহের জন্য গাড়ি সংকটের কথা তুলে ধরলে তিনি তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য দুইটি মোটরসাইকেল দেয়ার ঘোষণা দেন। পরে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে মডেল মসজিদ এন্ড কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

এছাড়া মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কাজী নাবিল আহমেদ গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি উপজেলা চত্বরে বৃক্ষ রোপণ করেন। আর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুইজন খামারীর হাতে গরু মোটাতাজাকরণের জন্য আর্থিক অনুদান তুলে দেন।

যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরজাহান ইসলাম নীরার সভাপতিত্বে এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেন, কোতোয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামানসহ সদর উপজেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে উপজেলা পরিষদের মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বেশ কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে তাদের অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি নজরে আসলে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ সংশ্লিষ্টদের কাছে তাদের তালিকা চান।

সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, উপজেলা পরিষদ হচ্ছে উন্নয়নের জায়গা। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছেন। এজন্য গুরুত্বসহকারে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু জনগণের কাছে দায়বদ্ধহীন অনেক জনপ্রতিনিধির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সরকারের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অতীতে অপরাজনীতির কারণে যশোর সদর উপজেলায় বরাদ্দ থাকলেও কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। বিষয়টি মাথায় রেখে সব জনপ্রতিনিধিকে সততার সাথে কাজ করতে হবে।

স্বাআলো/এসএ