বরযাত্রীর ট্রলারডুবি: শিশুসহ এখনো ৮ জন নিখোঁজ

নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা নদীতে বরযাত্রীবাহী ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনায় শিশু ও নারীসহ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আটজন।

এ ঘটনায় নববধুসহ চার নারী, তিন শিশুসহ মোট সাতজনের মরদেহ এবং জীবিত অবস্থায় ৪০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

হাতিয়া নলেরচর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আকরাম উল্লাহ জানান, নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন, জাকিয়া বেগম, নারর্গিস, হালিমা, লামিয়া, নিহা, আমির হোসেন, আলিফ ও শিশু হাসান। নিখোঁজদের উদ্ধারে নৌ-পুলিশের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের দুইটি দল নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযানে চালাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, জীবিতদের দেয়া তথ্য থেকে জানা যায় ট্রলারটিতে প্রথমে বরপক্ষ থেকে শিশু নারীসহ ৩০ জনের মতো এসেছিল কিন্তু যাওয়ার সময় কনেপক্ষের আরো ১৫ জন ট্রলারটিতে উঠে পড়ে। ট্র্রলারটি চানন্দী ঘাট থেকে ভোলার মনপুরা কলাতলী গ্রামে যাওয়ার পথে কেরিংচরের শান্তিপুর ঘাটের পাশে প্রবল স্রোতের মুখে দুপুর দেড়টার সময় ডুবে যায়। পরে আশপাশের ট্রলারে থাকা জেলেরা এগিয়ে এসে অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করলেও নববধূসহ সাতজনের লাশ উদ্ধার করে।

আরো পড়ুন>>>নোয়াখালীর ঘটনা চরম বর্বরতা, অপরাধীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মৃতরা হলেন, নববধূ তাসলিমা বেগম (২১), নুর জাহান, আছমা বেগম, রাহেনা বেগম, নুর জাহান, শিশু আফরিন আক্তার লামিয়া, মিলি আক্তার ও হোসনে আরা বেগম রুপা।

হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, নিখোঁজ হওয়া এক নারী ও সাত শিশুকে উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ কাজ করছে। নদীতে জোয়ার-ভাটা থাকার কারণে তারা ভেসে অন্যদিকে চলে যেতে পারে। তারপরেও তাদেরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

স্বাআলো/আরবিএ